সারাদেশে কীভাবে পাঠানো হবে করোনার প্রতিষেধক, ঠিক করতে টাস্কফোর্স গড়ল কেন্দ্র

করোনার প্রতিষেধক সঠিকভাবে আবিষ্কার হয়ে গিয়েছে, একথা জোর গলায় বলা যাচ্ছে না এখনো। তবে বিজ্ঞানীরা আশা করছেন যে কয়েক মাসের মধ্যেই পৃথিবীতে চলে আসবে এই ভয়াল রোগের প্রতিষেধক। যা মিলবে ভারতেও। এই পরিস্থিতিতেই এই প্রতিষেধক কী করে সারাদেশে বন্টন করা হবে তা ঠিক করতে টাস্কফোর্স গঠন করলে কেন্দ্র। এই টাস্কফোর্সে রয়েছেন বিভিন্ন মন্ত্রক ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি।

কী কাজ করবে টাস্কফোর্স?

উপযুক্ত প্রতিষেধক চিহ্নিত করা, কেনা, বণ্টন ও ব্যবস্থাপনার বিষয়টি দেখবে এই টাস্ক ফোর্স। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো ভারতও করোনা প্রতিষেধক নিয়ে জোর কদমে গবেষণা চলছে। প্রথম পর্যায়ের গবেষণা শেষ। এখন কিছু জায়গায় দ্বিতীয় পর্যায়ের গবেষণা চলছে এবং বেশ কিছু জায়গায় এই গবেষণা তৃতীয় পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে। যদি ভারত এর মধ্যেই এই রোগের প্রতিষেধক আবিষ্কার করে ফেলতে পারে তাহলে তো খুব ভালো কথা। আর ভারতের আগে যদি রাশিয়া বা অন্য কোন দেশ এই রোগের প্রতিষেধক সঠিকভাবে আবিষ্কার করে ফেলতে পারে তাহলে তা ভারতে আনার জন্য প্রয়োজনীয় চুক্তিও হয়েছে।

ঘনিষ্ঠ সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে এই টাস্কফোর্সের প্রধান হতে চলেছেন, নীতি আয়োগের সদস্য ড. ভি কে পালকে। তাঁর সঙ্গে থাকছেন স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ। এছাড়াও থাকছেন এইমসের ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া। যে মন্ত্রকগুলির প্রতিনিধি এই টাস্কফোর্সে রয়েছেন সেই মন্ত্রকগুলি হল বিদেশমন্ত্রক, জৈবপ্রযুক্তি মন্ত্রক, তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। এছাড়াও স্বাস্থ্য পরিষেবা বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল, এইডস রিসার্চ ইনস্টিটিউট, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ এবং রাজ্যগুলির প্রতিনিধিরা থাকবেন এই টাস্ক ফোর্সে।

এছাড়াও টাস্কফোর্স সিদ্ধান্ত নেবে যে ভ্যাকসিন বন্টনের প্রক্রিয়ায় বিদেশি কোন সংস্থাকে যুক্ত করা হবে কিনা, কেন্দ্রীয় সরকার এই গোটা প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখবে নাকি রাজ্যগুলির হাতে প্রতিষেধক বন্টন করার স্বাধীনতা দেওয়া হবে তাও ঠিক করবে এই টাস্কফোর্স।

এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে। গোটা দেশে বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারত সহ দেশের প্রত্যন্ত এলাকাতেও যাতে প্রতিষেধক পৌঁছায় তা সুনিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছে এই টাস্কফোর্স।

RELATED Articles

Leave a Comment