বিশ্বজুড়ে ইসলামবিদ্বেষ বৃদ্ধির জন্য দায়ী পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, বিস্ফোরক দাবি মার্কিন গবেষকের

বিশ্বজুড়ে ইসলাম ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ বাড়ছে এবং তার জন্য দায়ী পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান! এরকমটাই দাবি করলেন আমেরিকার একজন গবেষক। বিগত কিছুদিন ধরে ফ্রান্সে যেভাবে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী মানুষের ওপর মুসলিম মৌলবাদীরা প্রাণঘাতী আঘাত হানছে তার জেরে ইমরান মুসলিম রাষ্ট্র গুলির প্রধানের কাছে চিঠি লিখেছেন।

ঠিক তার পরিপ্রেক্ষিতেই ইমরান খানের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের গবেষক মাইকেল রুবিন।

তার দাবি হলো তিনি নির্দিষ্ট কিছু রাষ্ট্রের মুসলিমদের প্রতি সহানুভূতি দেখান! গোটা বিশ্বের সমস্ত মুসলিমদের প্রতি কিন্তু তার কোন টান নেই। প্রমাণ হিসাবে মাইকেল যুক্তিগ্রাহ্য কিছু তথ্য তুলে ধরেছেন।

তিনি একটি প্রতিবেদনে লিখেছেন যে, বিশ্বের অন্য দেশের মুসলিম মানুষের উপর সামান্য আক্রমণ হলেই ইমরান খান চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে দেন। ইসলামের প্রতি বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন।

অথচ চীন যখন উইঘুর মুসলিমদের উপর অত্যাচার চালায় তখন কিন্তু ইমরান খান একেবারে নিশ্চুপ থাকেন! সে সময় কিন্তু বিশ্বের অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলি শি জিনপিংয়ের প্রশাসনের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন কিন্তু ইমরান খানকে একটি শব্দও উচ্চারণ করতে দেখা যায় না। উল্টে বিভিন্ন বিষয়ে চীনকে সমর্থন করেন। চীনের থেকে সাহায্য নেন। তাই ফ্রান্সের ঘটনার পর মুসলিম দেশগুলির রাষ্ট্রনায়কদের উদ্দেশ্যে তিনি যে চিঠি লিখেছেন তা বিদ্বেষ ছড়ানোরই লক্ষণ।

মাইকেল আরো বলছেন যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী যদি সত্যিই নেতা হতেন তাতে ইসলামিক সন্ত্রাসবাদ মেটানোর জন্য সচেষ্ট হতেন। কিন্তু তিনি ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের উপর সমস্ত দোষ চাপিয়ে নিজে মুসলিম বিশ্বের নেতা হওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ইমরান খানের উচিত আয়নায় নিজের মুখ দেখা। কারণ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট যেখানে সমস্ত মানুষের বাক স্বাধীনতার পক্ষে সওয়াল করছেন। আর সেখানে ইমরান খান তার বিরুদ্ধে ইসলাম বিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য অভিযোগ তুলছেন। তাই বিশ্বজুড়ে ইসলামের প্রতি বিদ্বেষ তৈরি হওয়ার আসল কারণ কিন্তু পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীই। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের তুলনায় তাঁর জন্যই বেশি ইসলাম বিদ্বেষের সৃষ্টি হয়েছে। সাফ জানাচ্ছেন মাইকেল।

আরও অন্যান্য খবর