ইতিমধ্যেই জেলা পরিষদের খাদ্য কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন তিনি। ছেড়ে দিয়েছিলেন তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদও। আর এবার পুরো দলটাই ছেড়ে দিলেন তিনি।
বিধানসভা ভোট পূর্ববর্তী বাংলায় দলবদলে নাম লেখালেন উত্তর ২৪ পরগনার বলিষ্ঠ তৃণমূল নেতা রতন ঘোষ।
প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য, ঘাসফুল শিবিরের জন্ম লগ্ন থেকেই তৃণমূলের সঙ্গে ছিলেন রতন বাবু।উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিটি সভায় তাঁকে দেখা যেত। মমতাও মঞ্চে প্রায়ই তাঁর নাম বলতেন। সেই রতন ঘোষকেই দেখা যায়নি গোপালনগরে মুখ্যমন্ত্রীর সভায়। এরপর থেকেই শুরু হয় গুঞ্জন। পরে জানা যায়, তিনি জেলাশাসকের কাছে কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে পদত্যাগের আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন। রতনবাবু অবশ্য এ বিষয়টি স্পষ্ট করে কোনওদিনই কোনও মন্তব্য করেননি। প্রথম থেকেই তিনি বলেছিলেন, “সময় হলে আমি আমার বক্তব্য জানাব।”
আর এবার জনসমক্ষে নিজের বক্তব্য স্পষ্ট করে হেস্টিংসের বিজেপির নতুন কার্যালয়ে পদ্মশিবিরের পতাকা হাতে তুলে নিলেন তিনি। জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে বিজেপির (BJP) হেস্টিংসের কার্যালয়ে যোগদান কর্মসূচি ছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলায় বিজেপির শীর্ষ সমস্ত নেতারা। ছিলেন মুকুল রায়, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, সায়ন্তন বসু-সহ অন্যান্যরা।
তাঁদের উপস্থিতিতেই সেখানে বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন রতনবাবু।
তবে তিনি একা আসেননি সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন আরও বেশ কয়েকজনকে। উত্তর ২৪ পরগনা থেকে তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের অন্যান্য কয়েকজন নেতাও যোগ দেন বিজেপি শিবিরে। এদিন হাওড়ার উদয়নারায়ণপুরের কংগ্রেস নেতা সরোজরঞ্জন কারার-সহ বেশ কয়েকজন যোগ দেন গেরুয়া শিবির। অন্যদিকে, পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সম্পাদিকা সোনা চট্টোপাধ্যায় শুক্রবার যোগ দিলেন কংগ্রেসে।






