রাফাল আসায় শক্তিশালী হয়েছে বায়ুসেনা। আর এবার ভারত মহাসাগরে ১২০টির বেশি রণতরী মোতায়েন করে বল ষশালী হয়ে উঠল নৌসেনা।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরেই এশিয়ায় বিস্তীর্ণ এলাকায় নিজের প্রভাব প্রতিপত্তি বাড়ানোর চেষ্টা করে চলেছে চীন। আগে বিষয়টির প্রতি সেভাবে নজর না দিলেও বর্তমান পরিস্থিতির বিচারে নিজেদের আরো মজবুত করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত। এমনটাই জানিয়েছেন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত।
এই বিষয়ে গ্লোবাল ডায়লগ সিকিউরিটি সামিটে নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘এই অঞ্চলের বেশিরভাগ দেশই অর্থনৈতিক স্বার্থে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করতে চাইছে। তৈরি করা হচ্ছে বিভিন্ন পরিকাঠামোও। ভৌগোলিক অবস্থানের সুযোগ নিয়ে প্রায় সমস্ত দেশই নিজেদের উন্নয়নের স্বার্থে একে অপরের উপর প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে। আর তাই ইন্দো-স্পেসিফিক রিজিয়নে প্রভাব বিস্তারের প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি অনুধাবন করে সেখানকার বিভিন্ন প্রকল্পে সাহায্য করার জন্য ভারত মহাসাগরের ১২০টির বেশি রণতরী মোতায়েন করেছি আমরা।’
তবে ভারতের এই পদক্ষেপকে সোজা ভাবে দেখছেন না আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে ভারত যুদ্ধকালীন প্রস্তুতি নিচ্ছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় সংঘর্ষের পর থেকে ভারতের সঙ্গে চীনের বিবাদ বিশ্বনন্দিত হয়ে উঠেছে। আর যে কারণে দুই দেশের কোনও পদক্ষেপকেই খুব সাধারণভাবে দেখা সম্ভব হয় না।






