দীর্ঘ ১০ বছরের প্রতীক্ষার অবসান। আজ, বুধবার থেকেই শুরু হল নোয়াপাড়া-দক্ষিণেশ্বর মেট্রোর ট্রায়াল রান। এদিন সকাল ১০.৩০ টা নাগাদ গড়ায় ট্রেনের চাকা। তবে মেট্রোতে ছিল না কোনও সাধারণ যাত্রী। ছিলেন জিএম ও বিশেষ কয়েকজন আধিকারিক। তবে এর আগে গতকালই নতুন স্টেশন ঘুরে দেখেছেন মেট্রো রেলের আধিকারিকরা। চলেছে একটি ইঞ্জিনও।
জানা গিয়েছে, ট্রায়াল রান মাস দুয়েক চলার পর কমিশনার অফ সেফটির সবুজ সংকেত মিললেই যাত্রী নিয়ে নতুন রুটে মেট্রো চলাচল শুরু হবে। কবি সুভাষ থেকে দক্ষিণেশ্বর পর্যন্ত মেট্রোর ভাড়া হবে ৩০ টাকা।
দক্ষিণেশ্বর স্টেশনটি ভবতারিণী মন্দিরের আদলেই তৈরি হয়েছে। দক্ষিণেশ্বর ও নোয়াপাড়া স্টেশনের মাঝে রয়েছে বরাহনগর স্টেশন। এটিই কলকাতা মেট্রো স্টেশনের সবচেয়ে উঁচু স্টেশন। এর উচ্চতা ৫৫ ফুটেরও বেশি। বরাহনগর রেলওয়ে স্টেশনের টিকিট কাউন্টারের গা ঘেঁষে একটি রাস্তা প্ল্যাটফর্মে গিয়ে উঠেছে। তিনতলায় তৈরি হয়েছে প্ল্যাটফর্ম।

এদিকে, দক্ষিণেশ্বর স্টেশনের দু’পাশের চারটে চূড়া দক্ষিণেশ্বর মন্দিরের আদলেই তৈরি হয়েছে। মন্দিরে ঢুকতেই চোখে পড়বে রামকৃষ্ণ, সারদা দেবী ও স্বামী বিবেকানন্দের তিনটি বিশালাকার মূর্তি। দোতলায় রয়েছে টিকিট কাউন্টার ও তিনতলায় প্ল্যাটফর্ম। তবে এই লাইনে ট্রেন ঘোরার জায়গা নেই। এই কারণে স্টেশনে প্রবেশের আগেই রয়েছে ক্রসওভার। এর মাধ্যমে যে লাইন ফাঁকা থাকবে, সেই লাইনে ট্রেন পাঠিয়ে তার অভিমুখ পরিবর্তন করা হবে। মেট্রো আধিকারিকরা জানাআ, এই লাইনে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৯০ কিলোমিটার বেগে চালানো গেলেও, এখানে তা চলবে ঘণ্টায় ৫৫ কিলোমিটার বেগে।
দুটি স্টেশনেই ফুটে উঠেছে নানান ভাস্কর্য। কিছুদিন পরই শুরু হয়ে যাবে সাধারণ যাত্রী নিয়ে এই মেট্রোর পথ চলা। আশা করা যাচ্ছে, এই লাইনের মেট্রো চালু হলে, বি টি রোডের উপর যানজটের প্রভাব খানিকটা কমবে। টালা ব্রিজ ভাঙা পড়ার পর থেকেই কলকাতার উত্তর শহরতলি থেকে শ্যামবাজার পৌঁছনো চরমে উঠেছে।






