Mamata Singue Visit: মাথাব্যাথা সেই সিঙ্গুর, ভোটের মুখে সিঙ্গুরে চাষযোগ্য জমি বানাতে মরিয়া মমতা!

সিঙ্গুরের জমিকে কেন্দ্র করেই একসময় বাংলায় নিজের ভিত শক্ত করে তৃণমূল। এবার ফের একবার বিধানসভার নির্বাচনের আগে সেই সিঙ্গুরকেই হাতিয়ার বানাতে মরিয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিঙ্গুরের জমিকে ফের চাষযোগ্য করে তোলার জন্য প্রায় উঠেপড়ে লেগেছে রাজ্যসরকার।

এর আগে বিজেপির তরফ থেকে বলা হয় যে সিঙ্গুর নিয়ে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার তা আগামী সরকার নেবে। অর্থাৎ, একপ্রকার বিজেপির পক্ষ থেকে বলেই ঘোষণা করেই দেওয়া হয়েছিল যে আগামী নির্বাচনে বিজেপিই বাংলায় ক্ষমতায় আসতে চলেছে। বিরোধী পক্ষের হুংকারে একপ্রকার চিন্তিত হয়েই সিঙ্গুর নিয়ে নতুন করে ফের ভাবনা চিন্তা শুরু করেছে  রাজ্য সরকার। এই কারণে আজ জমি পরিদর্শন ও জরিপের কাজ দেখতে সিঙ্গুরে হাজির হলেন হুগলি জেলা সেচ দফতরের কর্তারা।

সেচ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে যে এই অঞ্চলে পাঁচটি মৌজার জমিতে জল জমে রয়েছে। তবে সেই সমস্যার শীঘ্রই সমাধান হতে চলেছে বলে আশ্বাস রাজ্যের। এই কারণে কৃষকদের সমস্যাও মিটবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাম আমলে এই অঞ্চলের প্রায় ১০০০ একর জমিতে টাটাদের গাড়ির কারখানা তৈরি হওয়ার প্রস্তাব উঠে। সেই অনুযায়ী কাজও শুরু হয়। কিন্তু বাধ সাধে বর্তমান সরকার। ২০১৬ সালে এই মামলার রায় ঘোষণা করে সুপ্রিম কোর্ট। এরপর সেই সংশ্লিষ্ট জমি কৃষকদের ফিরিয়ে দেয় রাজ্য সরকার। সেই সময় রাজ্য সরকার দাবী করে যে, এইসব জমিই নাকি চাষযোগ্য।

কিন্তু তা হয়নি, কৃষকদের অভিযোগ, গোপালনগরের ৪০০ একর জমি নেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে ১৫০ একর জমিই নিচু। চাষের জমিতে জল দাঁড়িয়ে যায়। তাছাড়া, খাসেরভেড়িতে ৫০ একর জমি ও সিংহেরভেড়িতে ২০ একর জমিতেও এই একই সমস্যা রয়েছে। বাজেমিলিয়াও বেড়াবেড়ি এলাকার ২৫ একর জমিও একেবারেই চাষযোগ্য নয়।

এই বিষয়ে সিপিএম সম্পাদক দেবব্রত ঘোষ বলেন ভোটের মুখে আরও একটা ভাঁওতা দিচ্ছে সরকার। বিধানসভা ভোট আসন্ন, তাই এখন সিঙ্গুরের কথা মনে পড়েছে। বিজেপির হুগলি সাংগঠনিক জেলা সহ-সভাপতি সঞ্জয় পাণ্ডের কথায়, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কৃষকদের মিথ্যে বুঝিয়ে আসছে।

আরও অন্যান্য খবর