শোলগেড়িয়ায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এদিনের অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন হেতু নারকেলও ফাটান বিধায়ক। আর বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই নিয়ে সুরও চড়িয়েছে বিজেপি। তাঁদের অভিযোগ, দশ বছর বিধায়ক পদে থেকেও এতদিন নিজের এলাকার রাস্তার কাজ করাতে পারেননি চূড়ামণি। এ বার ভোটে পরিবর্তিত পরিস্থিতি বুঝে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে এলাকাবাসীর মন ভোলানোর চেষ্টা হচ্ছে।
সূত্রের খবর, ঝাড়গ্রাম ব্লকের শালবনি পঞ্চায়েত এলাকায় প্রস্তাবিত ওই রাস্তাটি ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে সংযোগকারী হিসেবে তৈরি হবে। ওই গ্রামীণ রাস্তা তৈরির জন্য ৩ কোটি ২২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করেছে পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদ। রাস্তাটি শোলগেড়িয়া থেকে চণ্ডীপুর, দক্ষিণ চণ্ডীপুর, আমলাচটি হয়ে লবকুশ গ্রাম পর্যন্ত চার কিমি দীর্ঘ হবে।
প্রসঙ্গত,আমলাচটি গ্রামেই গোপীবল্লভপুরের বর্তমান বিধায়ক চূড়ামণি মাহাতোর আদিবাড়ি। দলীয় কাজের জন্য চূড়মণি বেশিরভাগ সময়ে লোধাশুলির ভাড়া বাড়িতে থাকেন। তবে তাঁর পরিবারের সদস্যরা আমলাচটি গ্রামের বাড়িতেই থাকেন। চূড়ামণিও ওই রাস্তা দিয়েই গ্রামের বাড়িতে যান। গত ১১ই ফেব্রুয়ারি পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়নের পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পেয়েছেন চূড়ামণি। তারপরই ওই পর্ষদ থেকে রাস্তাটি তৈরির তোড়জোড় শুরু হয়। সেই রাস্তার কাজ শুরুর আগেই শুরু হল বিতর্ক। কারণ এ দিনের অনুষ্ঠানে যে ফ্লেক্স লাগানো হয়েছিল, তাতে স্পষ্ট করে বাংলা ভাষায় লেখা ছিল ‘রাস্তার শুভ উদ্বোধন’।






