এরমধ্যে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় তৃণমূলের সঙ্গ ত্যাগ করে বিজেপিতে যান। ভোটের আগে সঙ্গ ছাড়েন বিজেপির। এর ফলে তিনি না ঘরকা না ঘাটকা! কিন্তু বাকি তিনজনের মধ্যে দু’জন রাজ্যের মন্ত্রী এবং একজন বিধায়ক। তাঁরা জেলবন্দী থাকায়
শুক্রবার নারদকাণ্ডের মামলায় শুনানির পর চারজনকেই গৃহবন্দি রাখার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। তবে তাঁদের জন্য লাগু করা হয়েছে বেশ কিছুু নিয়মাবলী।
এক নজরে দেখে নিন সেই নিয়মগুলি-
আজকের শুনানিতে অভিযুক্তদের আইনজীবীরা আবেদন করেছিলেন তাঁদের সরকারি কাজ করার অনুমতি দেওয়া হোক। তাঁরা কাজ না করলে ব্যাহত হচ্ছে সরকারি কাজ তাই সেই ক্ষেত্রে অনুমতি দিয়েও আদালত নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম বেঁধে দিয়েছে।
যেমন তিন নেতাকেই কাজ করতে হবে বাড়িতে বসে। শুধুমাত্র অনলাইনের মাধ্যমে। ফাইল দেওয়া, ফাইল নেওয়া সবটাই করতে হবে অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমে। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আলোচনা করা যাবে। কোনও সরকারি আধিকারিক বা আমলা বাড়িতে দেখা করতে আসতে পারবেন না।
উক্ত ভিডিও কলের বিস্তারিত তথ্য নথিভুক্ত রাখতে হবে। সরকারি কাজ ব্যাতীত অন্য কোনও কাজে ভিডিও কল করা যাবে না। বিশেষ দরকারে বাড়িতে কে আসছেন, কতক্ষণ থাকছেন, কেনও আসছেন তার বিবরণ বিস্তারিতভাবে নথিভুক্ত রাখতে হবে।
চার অভিযুক্তের বাড়ির সামনের রাস্তায় সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকলে তার ব্যবস্থা সত্ত্বর করতে হবে সংশোধনাগার কর্তৃপক্ষকে। ভবিষ্যতের জন্য এই সিসি ক্যামেরার ফুটেজ রাখতে হবে। যাতে ভবিষ্যতে প্রয়োজন পড়লে ঐ সমস্ত তথ্য হাইকোর্টের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব পর হয়।






