‘স্কুল খোলা থাকলে সরকারের খরচ হয়,  বার খোলা থাকলে সরকারের লাভ হয়’, বিতর্কিত মন্তব্যে ফের শিরোনামে দিলীপ 

নাম তাঁর দিলীপ ঘোষ। বঙ্গ বিজেপির প্রদেশ অধ্যক্ষ তিনি।‌ চলতি বছরের নভেম্বর মাস পর্যন্ত তাঁর মেয়াদ। কিন্তু আক্রমনাত্মক ঝাঁঝালো মন্তব্য করা বা বিতর্ক সৃষ্টি করা থেকে বিরত নেই তিনিl

উল্টাপাল্টা মন্তব্য করাতেও তাঁর জুড়ি মেলা ভার! এবার ফের বিতর্কে নাম জড়ালেন তিনি। করোনাভাইরাস এর জেরে গতকাল রাজ্যে কিছু বিধিনিষেধের রাশ আলগা করা হয়েছে, ঘোষণা হয়েছে বেশকিছুর। আর এই নিয়েই রাজ্যকে নিশানা করতে ছাড়েননি বিজেপির প্রদেশ অধ্যক্ষ।

আরও পড়ুন-রাজীবের পর প্রবীর! “মধুচক্রের নায়ক, গদ্দার প্রবীর ঘোষালকে দলে ফেরানো যাবে না!” পড়ল পোস্টার

কী বলেছেন তিনি? এই বিষয়ে মন্তব্য করে দীলিপবাবু বলেছেন, ‘স্কুল খোলা থাকলে রাজ্য সরকারের খরচ হয়। আর বার খোলা থাকলে রাজ্য সরকারের লাভ হয়। তাই স্কুল বন্ধ করে নির্দিষ্ট সময় বার খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।’

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য রাজ্যের আয়ের অন্যতম জায়গা আবগারি দফতর। আদায় হয় মোটা টাকা রাজস্ব। কিন্তু ছাত্র ছাত্রীর ভবিষ্যৎ। ‌ তাঁদের স্বাস্থ্য সবার আগে।‌ আর সেই কারণেই সংক্রমণ যাতে না ছড়ায় তাই স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার।

রাজ্যের প্রধান বিরোধীদলের প্রদেশ অধ্যক্ষের এহেন অসংবেদনশীল মন্তব্যে রীতিমতো বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে বাংলায়।

আরও পড়ুন- আগামী পাঁচ বছর তৃণমূলের সঙ্গেই থাকছে আইপ্যাক, তবে প্রশান্ত কিশোর কী থাকবেন? উঠছে প্রশ্ন

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, করোনা নিয়ন্ত্রণে আপাতত বন্ধই থাকছে বাস, লোকাল ট্রেন এবং মেট্রো। গতকাল মুখ্যমন্ত্রীর পাশে বসে নবান্নে এই কথা জানিয়েছেন মুখ্যসচিব। শুধুমাত্র স্টাফ স্পেশাল ট্রেন চলবে। তবে ট্রেন, বাস, মেট্রো বন্ধ থাকলেও ৩০শে জুন সন্ধ্যে ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধে একগুচ্ছ ছাড় ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ২৫% কর্মী নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি অফিস চালু হবে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত খোলা যাবে বেসরকারি সংস্থা।

এই মুহূর্তে খুলছে না শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। বেলা ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে হোটেল, বার, রেস্তোরাঁ।

আরও অন্যান্য খবর