একদিকে যখন পাঞ্জাবের দুই বিধায়কের ছেলেকে সরকারি চাকরি দেওয়ার কারণে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং-এর বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছে কংগ্রেসেরই নানান নেতারা। ঠিক তখনই অন্যদিকে। শিক্ষাব্যবস্থা এক চরম চিত্র ফুটে উঠল কংগ্রেসশাসিত রাজ্য পঞ্জাবে।
চেতন কুমার, বয়স ৩২ ইউজিসি-নেট পরীক্ষা পাশ করার পরও কোনও চাকরি পাননি। অবশেষে কোনও উপায় না দেখে সংসার চালানোর তাগিদে ফলের রসের দোকান চালাচ্ছেন। এর পাশাপাশি তিনি তফশিলি জাতির ইতিহাস নিয়ে ডক্টরেট করছেন বলেও জানা গিয়েছে।
চেতনের কথায়, “স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পাওয়ার পর আমি চাকরির চেষ্টা করি। এরপর যখন আমি বুঝতে পারি যে ইউজিসি-নেট পাশ করলে ভালো চাকরি পাব, তখন পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে থাকি আমি। ২০১৯ সালে নেট পাশ করি। কিন্তু এরপরও কোনও চাকরি জোটে নি। ফলে ডক্টরেট পড়া শুরু করি। কিন্তু যখন বুঝতে পারি এভাবে সংসার চলছে না, তখন এই দু’মাস যাবত লেহেরাগাগাতে এই ফলের রসের দোকান চালু করেছি”।
আরও পড়ুন- সুখবর! ভারতে শীঘ্রই আসতে চলেছে ফাইজারের টিকা, ছাড়পত্র মিলবে দ্রুতই
বড় বড় ডিগ্রি থাকা সত্ত্বেও কোনও একটি ছোটো ব্যবসা শুরু করা কোনও ভয়ংকর বিষয় নয়। যারা চেষ্টা করেও চাকরি পাননি, তারা নিজেদের একসময় হারিয়ে ফেলেন। চেতনের কথায়, এমন সময় অনেকেই নানান রকম কাজ করা শুরু করেন এবং অনেকে শ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেন বা অনেকেই আবার নানান অদ্ভুত কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
কিন্তু এবার এখানে প্রশ্ন ওঠে, রাজনৈতিক সুবিধা পেয়ে কছু মানুষ সহজেই সরকারি চাকরি পেয়ে যাচ্ছেন। আর অন্যদিকে উচ্চশিক্ষা, ডিগ্রি থাকা সত্ত্বেও কিছু মানুষ চাকরি না পেয়ে অন্যান্য পেশা বেছে নিচ্ছেন যা তাদের যোগ্যতার থেকে অনেক নীচে। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই পঞ্জাব সরকারের প্রতি চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নেটিজেনরা। এমনকি, কংগ্রেসকেও ধিক্কার জানিয়েছেন রাজ্যে এমন শিক্ষা পরিকাঠামো তৈরি হওয়ার জন্য।





