ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনার তদন্তে এবার তদন্তকারীর সংখ্যা আরও বাড়ানো হল। এর জেরে সিবিআইয়ের স্পেশাল ইনভেস্টিগেটিং ইউনিটে সদস্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৪৯ জন। চারটি জোনের জন্য এবার ১০জন করে মোট ৪০ জন বাঙালি কনস্টেবল নিযুক্ত করা হয়েছে।
মূলত ভাষাগত সমস্যা ও এলাকা চেনার সুবিধার জন্যই বাঙালিদের নিযুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এতদিন সিবিআই-এর তদন্তকারী দলে কোনও বাঙালি আধিকারিক ছিল না। এর জেরে প্রত্যন্ত গ্রামে গিয়ে আক্রান্তদের সঙ্গে কথা বলা বা ঘটনার বিবরণ জানতে বেশ সমস্যায় পড়ছিলেন সিবিআই তদন্তকারীরা।
আরও পড়ুন- রাস্তার কল থেকে জল নেওয়ার জের, পিটিয়ে খুন করা হল বিজেপি কর্মীকে, কাঠগড়ায় শাসকদল
আক্রান্তদের কিছু জিজ্ঞাসা করতেও সমস্যায় পড়ছিলেন তদন্তকারীরা। এবার এই বাঙালি কনস্টেবল সিবিআই আধিকারিকদের সবদিক থেকে সাহায্য করবেন। সিবিআইয়ের কলকাতা শাখার কোনও কনস্টেবলকে এই তদন্তে রাখা হয়নি। দিল্লি, বিশাখাপত্তনম ও গুয়াহাটি-সহ নানান শাখা থেকে এই বাঙালি কনস্টেবলদের নিয়োগ করা হয়েছে।
ইতিমধ্যেই, ভোট পরবর্তী হিংসার মামলায় রাজ্য পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকদের তলব করতে শুরু করেছে সিবিআই। ধাপে ধাপে নানান মামলার তদন্তকারী রাজ্যের অফিসারদের তলব করা হবে বলে জানা গিয়েছে। তারা যেহেতু প্রাথমিক তদন্ত করেছিলেন, তাই তসদের থেকে তাৎক্ষণিক পর্যায়ের তথ্য মিলবে বলে মনে করছে সিবিআই।
তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা হবে যে মামলায় কাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল, কেন কোনও অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়নি, কী কী প্রমাণ রাজ্য পুলিশ পেয়েছিল। এদিকে সিবিআই জাতীয় মানবাধিকার কমিশনেও চিঠি পাঠিয়ে জানতে চেয়েছে যে কোনও চাপের কারণে কোনও অভিযোগ নথিভুক্ত করা হয়নি কিন্তু তা ঘটেছে, এমন কোনও ঘটনা রয়েছে কী না।
আরও পড়ুন- ঘাসফুল শিবিরে বিপত্তির অন্ত নেই, ফের সিবিআইয়ের তলব পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে
ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় নতুন ৩টি মামলার মধ্যে ১টি নদিয়া জেলা ও ২টি উত্তর ২৪ পরগনার। ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্তে মোট ৮৪ জন তদন্তকারী অফিসার বা আইও-র মধ্যে ইন্সপেক্টর, ডিএসপি পদমর্যাদার অফিসার রয়েছেন। এছাড়া এই দলে রয়েছেন ২৫ জন কর্তা। জয়েন্ট ডিরেক্টর, ডিআইজি, এসপি পদমর্যাদার এই ২৫ জন অফিসার। প্রত্যেক জোনের টিমে ২১ জন করে তদন্তকারী অফিসার বা আইও।






