আজ, বৃহস্পতিবার ঘোষণা করা হল বিজেপির জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের নাম। আশি জন সদস্যের এই কমিটিতে বাংলা থেকে মোট ৬ জন নেতার নাম রয়েছে। তবে এদের মধ্যে সবথেকে উল্লেখযোগ্য নাম হল মিঠুন চক্রবর্তীর। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি বিজেপির হয়ে তারকা প্রচারকের কাজ করছিলেন। এছাড়াও বাংলা থেকে নাম রয়েছে দীনেশ ত্রিবেদী, ভারতী ঘোষ, অনির্বাণ গাঙ্গুলি এবং স্বপন দাশগুপ্ত, মুকুটমণি অধিকারীর।
আশি সদস্যের এই জাতীয় কার্যনিবাহী কমিটির মাথায় রয়েছেন স্বয়ং প্রধানমমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এছাড়াও রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই কমিটিতে রয়েছেন রাজনাথ সিং, এমএম যোশী, নিতিন গঢ়করির মতো নেতারাও। রয়েছেন ৫০ জন অতিথি এবং ১৭৯ জন বিশেষ অতিথি।
কিন্তু কী কাজ করবে এই কমিটি?
সূত্রের খবর অনুযায়ী, দলের অন্দরের কোনও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে এই জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি কাজ করবে। কিছুদিন পরপর নানান সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য ডাকা হবে বৈঠক। সেখানে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা। দল কীভাবে চলবে, সরকার কী চাইছে, এই নিয়ে হবে আলোচনা। এই কাজে বাংলার নেতাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করে কেন্দ্র বুঝিয়ে দিল যে পশ্চিমবঙ্গকে তারা এখনও গুরুত্ব দিয়েই দেখছে।
এদিনই বঙ্গ বিজেপির পর্যবেক্ষকের পদ ঘোষণা করা হয়েছে বিজেপি নেতৃত্বের তরফে। একুশের নির্বাচনী পরীক্ষায় ব্যর্থহলেও বঙ্গে ফের একবার কৈলাসের উপরই আস্থা রাখছেন শীর্ষ বিজেপি নেতৃত্ব। পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব ফের গিয়েছে কৈলাস বিজয়বর্গীয়র উপরেই।
বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এর আগে দু’বছর আগেও কৈলাস-মুকুল জুটির ভাল রকমের প্রভাব ছিল বঙ্গ বিজেপিতে। কিন্তু মুকুল তৃণমূলে। তাই একা কৈলাসকে সম্পূর্ণ দায়িত্ব না দিয়ে তাঁর সহকারি হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যকে।
এর পাশাপাশি সহকারি পর্যবেক্ষকের গুরুদায়িত্ব পেয়েছেন অরবিন্দ মেনন, এমনটাই জানা গিয়েছে বিজেপি সূত্রে। নির্বাচনের কয়েকমাস আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের দায়িত্ব দেওয়া হয় অমিত মালব্যকে। কিন্তু কোনও কিছুতেই কাজ হয়নি। ৭৭ টি আসন পেয়ে বাংলায় থমকে যায় বিজেপি। আর এরপর থেকেই বঙ্গ বিজেপিতে শুরু হয়েছে
একুশের নির্বাচনে বিজেপির হারের জন্য দলের অন্দরের একাংশ কৈলাস, মেননদেরই দায়ী করেছেন। কিন্তু এরপরও কেন্দ্রীয় নেতারা সেই কৈলাস, মেননদের উপরই আস্থা রাখলেন। আর এর সঙ্গে যুক্ত হল অমিত মালব্যর নাম।






