তবে কী সুজাতার জীবনে সৌমিত্রের অধ্যায় শেষ? তৃণমূল নেত্রীর জীবনে কী তবে অন্য বসন্ত এসেছে? একুশের নির্বাচনে তৃণমূলের হয়ে লড়া সুজাতা অবশ্য সরাসরি কারোর নাম নেন নি। তবে কিছুটা আভাস যেন দিয়েই রাখলেন তিনি।
গত বছর ২১শে ডিসেম্বরের দিন পদ্ম সঙ্গ ত্যাগ করে তৃণমূলে যোগ দেন সুজাতা। সেই সময় দলবদলের হিড়িক চোখে পড়লেও, সুজাতার এই দলবদল মোটেই প্রত্যাশিত ছিল না। সেদিন সুজাতা তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেওয়ার পর বিজেপির বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তুলেছিলেন। অন্যদিকে, স্ত্রী বিরোধী দলে যোগ দেওয়ায় সংবাদমাধ্যমের সামনেই কেঁদে ভাসিয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।
জানিয়ে দিয়েছিলেন যে সুজাতার থেকে ডিভোর্স চান তিনি। তবে সুজাতা তাতে রাজি ছিলেন না। স্বামী-স্ত্রী আলাদা রাজনৈতিক দলে থাকলে যে ডিভোর্স করতে হবে, তা মনে করেন নি সুজাতা।
তবে গত এই ১১ মাসে ব্যক্তিগত জীবনে অনেক চড়াই-উতরাই দেখেছেন সুজাতা। বসন্ত আসতে এখনও অনেক দেরি থাকলেও, তাঁর জীবনে যে বসন্ত প্রবেশ করেছে, তা তিনি একরকম আভাস দিয়েই রাখলেন।
একন সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সুজাতা জানান, “আমার আগামী জীবন যেটাই হোক, সেটা খুব ভাল হবে। কারণ, আমি মনে করি, জীবনের অন্ধকারের পরেই আলো আসে। রাতের পরেই দিন আসে। জীবনে চলার পথে অমাবস্যা আসে। সেই অমাবস্যার দিনগুলো পার করলে পূর্ণিমা আসবে”।
তৃণমূল নেত্রী আরও বলেন, “আমার জীবনে সব সময় বসন্ত। কবির কথায় বলি,”ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক আজ বসন্ত। আমি জীবনে কোনও কিছু লুকোই না। সব কিছুই শেয়ার করব। এটাও লুকোব না। তবে আরও কিছু ভাল দেখার জন্য ওয়েট করুন”।
তাঁর জীবনের সেই বিশেষ মানুষটি কী রাজনৈতিক মহলের সঙ্গেই যুক্ত? এই প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে রহস্য জিইয়ে রাখলেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর কথায়, “এখনই তাঁর নাম বলব না। আমি অল্পবয়সী মেয়ে। আর বসন্ত তো এক বছর থেকে একশো বছর বয়সীদের জীবনে আসে। কিন্তু মনটাকে তরুণ রাখতে হয়”।
এদিন তিনি এও বলেন, “মন-ই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। মনের মানুষ পেয়েছি কিনা তা ক্রমশ প্রকাশ্য। পরে আরও বিশদে শেয়ার করব”।






