করোনার বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর হার্ট ব্লক ব্যক্তির, তাহলে কী বুস্টার ডোজ আশঙ্কার কারণ, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

এখনও পর্যন্ত যে পরিসংখ্যান মিলেছে, তাতে এটা বেশ স্পষ্ট যে করোনা থেকে বাঁচতে একমাত্র হাতিয়ার কিন্তু টিকাই। কিন্তু বুস্টার ডোজ ঠিক কতটা নিরাপদ, সেই নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। এই টিকার প্রভাব সকলের শরীরে কেমন হবে, তা নিয়ে জাগছে সন্দেহ। সাম্প্রতিক একটি ঘটনা যেন সেই সন্দেহকেই আরও উস্কে দিল।

সম্প্রতি, এক ৫৭ বছরের ব্যক্তি নিয়েছিলেন করোনার বুস্টার ডোজ। কিন্তু এরপরই তাঁর শরীরে হার্ট ব্লকের সমস্যা ধরা পড়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে আমেরিকাতে।

চিকিৎসকদের কথা অনুযায়ী, ওই ব্যক্তির Intermittent complete heart block-এ সমস্যা দেখা দিয়েছে। তার সঙ্গে রয়েছে আরও একটি সমস্যা চিকিৎসার পরিভাষায় যাকে বলা হয়েছে ventricular standstill। আর এ সব ক’টিই করোনার বুস্টার টিকা নেওয়ার পরে হয়েছে।

চিকিৎসকদের মতে, এই হার্ট ব্লক হল সেকেন্ড ডিগ্রি হার্ট ব্লক। এক্ষেত্রে হৃদযন্ত্রে যে সিগন্যাল যায়, সেই গতি ধীরে ধীরে কমতে থাকে। আবার এমনও হয় যে কখনও কমে আবার কখনও বাড়ে। এটি থার্ড ডিগ্রি হার্ট ব্লকের মতো মারাত্মক না হলেও, সঠিক সময়ে যদি এর চিকিৎসা না করানো হয়, তাহলে হৃদযন্ত্র থেমে যেতে পারে।

এর থেকেই প্রশ্ন উঠছে যে তাহলে কী বুস্টার ডোজ নিরাপদ নয়! জানা গিয়েছে, আমেরিকার যে ব্যক্তির বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর হার্ট ব্লকের সমস্যা দেখা দিয়েছে, তিনি ফাইজারের বুস্টার ডোজ নিয়েছিলেন। তব বিজ্ঞানীদের মতে, এর অর্থ এটা একেবারেই নয় যে ফাইজারের টিকা নিলেই এমনটা হবে। কারণ এখনও পর্যন্ত একজনের ক্ষেত্রেই এমনটা দেওয়া গিয়েছে।

তবে এখনও পর্যন্ত আশার খবর এই যে ভারতে টিকা বা বুস্টার ডোজ নেওয়ার পর হৃদরোগে কেউব আক্রান্ত হয়েছেন, এমন কোনও তথ্য মেলেনি। সরকারের তরফে বলা হয়েছে যে টিকা সম্পূর্ণ নিরাপদ। ভারতীয় টিকাতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে বড় কোনও বিপদের আশঙ্কা কম।

আরও অন্যান্য খবর