ঐতিহাসিক রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট। আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া শ্রেনিকে এবার সংরক্ষণের আওতায় আনার পক্ষে রায় দিল আদালত। পাঁচ বিচারপতি বেঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে যে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য ১০ শতাংশ সংরক্ষণ করা হবে এবার থেকে। সরকারি চাকরি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আর্থিকভাবে অনগ্রসররা সংরক্ষণের সুযোগ পাবেন।
https://twitter.com/ANI/status/1589489509804441600?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1589489509804441600%7Ctwgr%5E2a2acf335a1d51e9f43d1f0e6abc50f3e6b5c2c7%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.sangbadpratidin.in%2Findia%2Fsupreme-court-favours-ews-reservation-among-general-category%2F
প্রধান বিচারপতি ইউইউ ললিত-সহ পাঁচ বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়। তাঁদের মধ্যে তিনজন সংরক্ষণের পক্ষে সওয়াল করেন। প্রধান বিচারপতি অবশ্য এই সংরক্ষণকে সমর্থন করেননি।
সংরক্ষণের পক্ষে থাকা বিচারপতিদের মত, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সংরক্ষণ ব্যবস্থারও পরিবর্তন আনা দরকার। তবে প্রধান বিচারপতির মতে, তপশিলি জাতির মানুষের মধ্যেও অনেকেই রয়েছেন, যাঁরা আর্থিক ভাবে দুর্বল। কিন্তু নয়া সংরক্ষণ ব্যবস্থায় তপশিলি জাতির প্রতি অবিচার করা হবে।
সংবিধান সংশোধনের পর প্রশ্ন ওঠে যে অনগ্রসর বলতে যারা শিক্ষাগত ক্ষেত্রে পিছিয়ে তাদের কথা সংবিধানে বলা হয়েছে। আর্থিক অবস্থা নিয়ে সংবিধানে কিছু বলা নেই। তাহলে এই সংরক্ষণ অসাংবিধানিক। এমন দাবীও উঠেছিল যে জেনারেল ক্যাটেগরির জন্য আসন সংখ্যা কমিয়ে কেন্দ্র বঞ্চনা করছে। সেই সময় কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছিল যে জেনারেলের জন্য বরাদ্দ ৫০ শতাংশ আসনে কোনও কাটছাঁট হবে না। আলাদ করে ১০ শতাংশ আসন সংরক্ষণ করা হবে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য।
যদি জাতির ভিত্তিতে অনগ্রসরদের জন্য সংরক্ষণ থাকতে পারে, তাহলে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়াদের জন্য কেন সংরক্ষন থাকবে না, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলে আসছে। ২০১৯ সালে সংবিধান সংশোধনের সময় আর্থিক সংরক্ষণকে স্বীকৃতি দেওয়া হলেও সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। শীর্ষ আদালতে এই নিয়ে ৪০টি মামলার শুনানি হয়। অবশেষে শুনানির পর আজ, সোমবার রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট।






