গতকাল, শুক্রবারই রাজ্য পুলিশের সমালোচনায় ফেসবুকে একটি দীর্ঘ পোস্ট করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এবার তাঁর সেই মন্তব্যের পাল্টা দিলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তবে এবার শুধু শুভেন্দুই নন, কুণালের নিশানায় রয়েছে রাজ্য পুলিশের একাংশও।
শুক্রবার একটি পোস্ট করে শুভেন্দু অভিযোগ করেন যে পুলিশের এখন একমাত্র কাজ হল নানান রাজনৈতিক সভা-সমাবেশে বিরোধী দলনেতাকে বাধা দান করা। তাঁর অভিযোগ, পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরে তাঁকে সভা করতে বাধা দেওয়া হয় বলে জানান তিনি। এর পাল্টাই কুণাল বলেন যে রাজ্য পুলিশের একাংশই শুভেন্দুকে হিরো বানানোর চেষ্টা করছে।
নিজের ফেসবুক পোস্টে শুভেন্দু লিখেছিলেন, “পুলিশ মনে করছে আমাকে বাধা দিয়ে বোধহয় নিজেদের নম্বর বেড়ে গেল। তাই এবার অতি উৎসাহী হয়ে আগামী ২১শে মে আমার দার্জিলিংয়ের নির্ধারিত জনসভাও বন্ধ করার জন্য অভিনব ফন্দি এঁটেছে। দার্জিলিং মোটর স্ট্যান্ডে, যেখানে আমার নির্ধারিত সভাস্থল সেখানে সভার অনুমতি প্রদানের পূর্ব শর্ত হিসাবে নাকি ১৫টি সিন্ডিকেট এবং অন্যান্য সরকারী সংস্থার যেমন পূর্ত দফতর, পুরসভা ইত্যাদির কাছ থেকে নো অবজেকশন সার্টিফিকেট দাখিল করতে হবে”। একইসঙ্গে শুভেন্দুর দাবী, রাজ্য পুলিশ তাঁকে ভয় পাচ্ছে। তিনি আরও লেখেন, “ইয়ে ডর মুঝে আচ্ছা লাগা”।
শুভেন্দুর এই পোস্ট নিয়েই পাল্টা কটাক্ষ করেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। তাঁর কথায়, পুলিশের মধ্যে এমন কেউ কেউ রয়েছেন, যারা নিষেধাজ্ঞা জারি করে শুভেন্দুকে হিরো হওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছেন।
কুণালের প্রশ্ন, “আদালত যদি বারবার অনুমতি দিয়ে থাকে, তাহলে দেখতে হবে কোর্টের নির্দেশ সঠিক হলে পুলিশ কেন আগে বাধা দিচ্ছে? আর কোর্টের নির্দেশে যদি কোনও প্রশ্ন থাকে, তাহলে পুলিশই বা কেন আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে না”?
কুণালের মতে, পুলিশের একাংশই বারবার শুভেন্দু অধিকারীকে প্রচারের আলোয় আসার সুযোগ করে দিচ্ছে। তাঁকে ‘হিরো’ বানাতে চাইছে বলেও মনে করেন কুণাল। এর পাশাপাশি কুণালের আরও বক্তব্য, এই বিষয়টি আলাদা করে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে দলের তরফে।






