করোনা ভাইরাসের প্রভাব ইতিমধ্যেই বিশ্বের প্রায় ১১০ টিরও বেশি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এখনও অবধি সমগ্র বিশ্বে মৃতের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৫ হাজারের বেশি এবং আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় দেড় লক্ষ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারত সরকারের তৎপরতা লক্ষণীয়। আক্রান্ত দেশগুলি থেকে ভারতীয় নাগরিকদের বিমান মারফত ফিরিয়ে আনা হচ্ছে ভারত সরকারের উদ্যোগে। শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিক নয়, তার সঙ্গে বিদেশের নাগরিকদেরও ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
সম্প্রতি ভারত সরকার চীনের উহান শহর থেকে ২৩ জন বাংলাদেশি পড়ুয়াকে ফিরিয়ে নিয়ে আসে। তাদের দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভূয়সী প্রশংসা করেন শেখ হাসিনা বলেন, “এখনও অবধি বাংলাদেশে ২ জনের শরীরে এই রোগের লক্ষণ পাওয়া গিয়েছে। তবে এই দুজনই আক্রান্ত দেশগুলো থেকে এসেছিলেন। কিন্তু তাঁদের থেকে এখনও পর্যন্ত অন্য কারোর দেহে এই রোগ বিস্তার লাভ করতে পারেনি। আর যাতে এই রোগ ছড়িয়ে পড়তে না পারে সেদিকেও লক্ষ্য রাখা হচ্ছে”।
সম্প্রতি মালদ্বীপেও ১৪ জনের একটি মেডিকেল টিম পাঠায় ভারত সরকার। মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহামেদ সোলির অনুরোধে এই টিম সেখানে পাঠানো হয়েছিল। চীনে আটকে থাকা মালদ্বীপের নাগরিকদেরও ফিরিয়ে আনে ভারত। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য ভারতের বলিষ্ঠ পদক্ষেপে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীও খুশি।তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর অনেক প্রশংসাও করেছেন।
ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা- দক্ষিণ এশিয়ার এই আটটি দেশ নিয়ে গঠিত SAARC কমিটিতেও ভারত অনেক প্রশংসা লাভ করে। সার্কগোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলি সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি জরুরীকালিন অবস্থার জন্য SARRC দেশগুলোকে একটি ফান্ড তৈরির কথা বলেন, যা প্রয়োজনে বিভিন্ন দেশ কাজে লাগাতে পারবে। এই ফান্ডে ভারতের পক্ষ থেকে ১কোটি মার্কিন ডলার দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ভারত থেকে বৈদেশিক যাতায়াত অনেক আগেই বন্ধ রাখা হয়েছে। বিভিন্ন চেকপোস্টও বন্ধ রাখা হয়েছে। অধিকাংশ রাজ্যেই সমস্ত স্কুল কলেজ বন্ধ রাখা হয়েছে।এমনকি দিল্লীতে ১৪৪ ধারাও জারী করা হয়েছে।






