‘এত ভালো দেখতে এখনও’, কাঞ্চনের রূপের প্রশংসা করলেন সৌরভ, দাদার মুখে এমন কথা শুনে ভিরমি খেলেন অভিনেতা

সবসময়ই তাঁকে শুনে আসতে হয়েছে, রোগা-পটকা, দেশলাই কাঠি এমন সব কথা। চেহারার জন্য কম কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়নি তাঁকে। তিনি যে সুপুরুষ, তেমন কথা খুব একটা শোনেন নি তিনি। তবে এবার স্বয়ং দাদার মুখ থেকেই এমন প্রশংসা পেলেন কমেডিয়ান-অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক।  

গত সপ্তাহেই দাদাগিরির মঞ্চ মাতিয়ে গিয়েছে ‘প্রধান’ টিম। এসেছিলেন দেব, সৌমিতৃষা, পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায় ও এই ছবির আরও কলাকুশলীরা। এবার এই সপ্তাহে দাদাগিরির মঞ্চে দেখা যাবে ‘প্রধান’ ছবির আরও কিছু কলাকুশলীকে। থাকবেন অনির্বাণ চক্রবর্তী, সোহিনী সেনগুপ্ত ও কাঞ্চন মল্লিকরা।

খেলার মাঝেই প্রতিযোগীদের সঙ্গে বেশ আড্ডা দেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। আর তারকা প্রতিযোগী থাকলে তো কথাই নেই। এই কথা, আড্ডার মাঝেই কাঞ্চন জানান যে তিনি ৫ বছর বিউটি পার্লারে চাকরি করেছেন। এ কথা শুনে হাসি চাপতে পারেনি দাদা নিজে।

এরপর নিজেকে সামলে নিয়ে সৌরভ বলেন, “তাই তাঁকে এত ভালো দেখতে এখনও অবধি”। সৌরভের থেকে নিজের রূপের এমন প্রশংসা শুনে বিস্ফারিত চোখে দাদার দিকে তাকান কাঞ্চন। এরপরই শূন্যে দু-হাত তুলে লাফিয়ে উঠেন। কাঞ্চন বলে ওঠেন, “এই প্রথমবার…. এটা একবার লিখে একটা সই করে দেবেন তো দাদা”। নিজের কানকে যে কাঞ্চন বিশ্বাস করতে পারেননি, তা তাঁর প্রতিক্রিয়াতেই স্পষ্ট।

এর আগে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের ‘অপুর সংসার’ নামের টক শো-তে গিয়ে কাঞ্চন মল্লিক জানিয়েছিলেন যে তিনি কেরিয়ারের শুরুতে ৫ বছর বিউটি পার্লারে কাজ করেছেন। সেই সময় কাঞ্চন জানিয়েছিলেন তিনি বিউটি পার্লারের কী কী কাজ জানেন! কাঞ্চন বলেছিলেন, “ফেসিয়াল, মেহেন্দি, মাথার চুল আর ঝুলপির যে জায়গা কাটা কঠিন, আমি সেটা কাটতে জানি, এছাড়া ওয়াক্স করতেও জানি”। কাঞ্চন আরও বলেছিলেন, “সেসময় একটা প্রসাধনী সংস্থা ওয়ার্কশপ করাতে এসেছিল, সেটা করেছিলাম, শিখেছিলাম”।

প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছরে অভিনেতা-বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিকের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কম কাটাছেঁড়া হয়নি। দ্বিতীয় স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর বিচ্ছেদ, অভিনেত্রী শ্রীময়ীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা নিয়ে নানান আলোচনা হয়েছে। যদিও প্রকাশ্যে শ্রীময়ী জানিয়েছেন, তাদের সম্পর্কটা শুধুই বন্ধুত্বের।

আরও অন্যান্য খবর