বলিউডে প্রতি মুহূর্তে খবর তৈরি হয়। এক খবরের রেশ কাটতে না কাটতেই আর একটা প্রশ্ন, আর একটা বিতর্ক এসে হাজির হয়ে যায়। কিন্তু একটা প্রশ্ন আছে, যেটা বছরের পর বছর ধরে অমীমাংসিতই রয়ে গেছে, সেটা হল “কবে বিয়ে করছেন সলমন খান?” বলিউডে একমাত্র স্থায়ী প্রশ্ন বোধ হয় এটাই।
বলিউডে তিন খানের মধ্যে এখনও পর্যন্ত একমাত্র ব্যাচেলর তিনিই। আবার প্রেমের হিসেব করতে গেলে সবচেয়ে রঙীন প্রেমের অভিজ্ঞতাও তাঁরই। তা সত্ত্বেও সেই প্রেম থেকে বিয়ে অবধি আর সম্পর্ক গড়ায়নি ভাইজানের। তাঁর প্রেমিকার সংখ্যা নেহাত কম নয়। জুহি চাওলা থেকে শুরু করে ক্যাটরিনা কাইফ, ঐশ্বর্য রাই বচ্চন, জারিন খান, কে নেই তাঁর প্রেমিকার তালিকায়। কিন্তু কোনও প্রেমের সম্পর্কই বিয়ের পরিণতি পায়নি। সম্প্রতি শোনা যাচ্ছে লুলিয়া ভান্তুর নামে এক মডেলের সঙ্গে নাকি এখন প্রেম করছেন সলমন খান। কিন্তু প্রেম হলেও বিয়েটা কবে হচ্ছে ভাইজানের। বয়সটাও নেহাতই কম হয়নি। ৫৫বছর বয়স হতে আর মাত্র ২মাস বাকি। এই একটা বিষয়ই হতাশ করে সলমন অনুরাগীদের।
কিন্তু সেই হতাশাকে আরও এক ধাপ বাড়িয়ে দিলেন পণ্ডিত জনার্দন নামে এক জ্যোতিষী। তিনি মুখের উপর সরাসরি জানিয়েই দিলেন ভাগ্যে ‘বিয়ে যোগ’ নেই ভাইজানের। আর এই দুঃসংবাদটা তিনি জানালেন একদম টিভির পর্দায়। রিয়্যালিটি শো এর মঞ্চে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, জনপ্রিয় টেলিভিশন রিয়্যালিটি শো বিগ বস এর ১৪ তম সিজন শুরু হয়েছে। আর গত বেশ কয়েক বছরের মতো এই বছরেও এই শো হোস্ট করছেন সলমন খান। সেই অনুষ্ঠানেই প্রতিযোগীদের ভবিষ্যতবাণী করার জন্য ডাকা হয়েছিল বিখ্যাত জ্যোতিষী পণ্ডিত জনার্দনকে। তিনি বিভিন্ন প্রতিযোগীদের সম্পর্কে ভবিষ্যৎ গণনা করে নানা বিধান দেন। জনপ্রিয় প্রতিযোগী নিকি তাম্বোলির ভবিষ্যৎ গণনা করে তিনি বলেন বাইরে সরল সাধাসিধে হলেও নিকি ভিতরে ভিতরে নাকি ভীষণই চালাকচতুর। এরপর কৌতুহল বশতই সলমন খান তাঁর নিজের ভাগ্যও গণনা করে দিতে বলেন জ্যোতিষীকে। হাল্কা মেজাজেই প্রশ্ন করেন, ‘বিয়েটা কবে হচ্ছে?’ কিন্তু তাঁর সেই প্রশ্নে জল ঢেলে দিয়ে জ্যোতিষী পণ্ডিত জনার্দন বলেন ভাগ্যে কোনও বিয়ে যোগ নেই সলমন খানের। আর এই উত্তর শুনেই কার্যত স্তব্ধ হয়ে যান সলমন খান।
তারপর পরিস্থিতি হাল্কা করেন সলমন খান নিজেই। হাল্কা মেজাজেই জ্যোতিষীর এই কথাকে উড়িয়ে দেন তিনি। পরে তিনি বলেন ছ বছর আগে এই জ্যোতিষীই নাকি তাঁকে ভবিষ্যতবাণী করেছিলেন খুব শীঘ্রই নাকি তাঁর বিয়ে হবে। এখন আবার সেই জ্যোতিষী সম্পূর্ণ বিপরীত কথা বলাতে প্রথমে কিছুটা হতাশই হন সলমন খান। তারপর নিজেই সামাল দেন পরিস্থিতি। কিন্তু জ্যোতিষীর এই কথার পরেই ভাইপ্রেমীরা বেশ হতাশই হয়েছেন। এখন দেখার সত্যিই বিয়ের পিঁড়িতে বলবেন কীনা ভাইজান।






