রথযাত্রার দিন রাজনৈতিক মহলে বড় চর্চার জন্ম দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে তাঁর ইস্তফার খবর সামনে আসতেই নতুন করে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। বুধবার পর্যন্ত রাজ্যসভার ওয়েবসাইটে তাঁর নাম তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ হিসেবে দেখা গেলেও বৃহস্পতিবার সকালে সেই তালিকায় আর তাঁর নাম ছিল না।
ইস্তফার পরই দিল্লিতে কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে কোয়েল মল্লিককে দেখা যায়। সেই বৈঠকের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। অনেকের ধারণা, খুব শীঘ্রই তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দিতে পারেন।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, গত কয়েক মাস ধরে তৃণমূলের সঙ্গে কোয়েলের দূরত্ব বাড়ছিল। জানা গিয়েছে, বিদেশে থাকার কারণে ইস্তফা জমা দিতে কিছুটা সময় লাগলেও বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর আলোচনা আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোয়েল বা কোনও দলের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
কোয়েল মল্লিকের সম্ভাব্য দলবদলকে রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। মল্লিক পরিবারের পরিচিতি এবং টলিউডে তাঁর জনপ্রিয়তা বিজেপির কাছে বড় রাজনৈতিক বার্তা হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই। একই সঙ্গে বিনোদন জগতের পরিচিত মুখ হিসেবে তাঁর যোগদান রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে আলোচনা চলছে।

আরও পড়ুনঃ মন ভালো নেই প্রিয় বান্ধবীর! মৌনী রায়ের এক ফোনেই স্বামী ও সংসার ফেলে মুম্বই পৌঁছলেন শুভশ্রী! দুই অভিনেত্রীর বন্ধুত্বে মুগ্ধ অনুরাগীরা!
এদিকে, তাঁর ইস্তফার পর রাজ্যসভার শূন্য আসন নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। অতীতে একাধিক সাংসদের ইস্তফার পর যেমন উপযুক্ত সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় সেই আসন পূরণ করা হয়েছিল, এবারও একই নিয়ম অনুসরণ করা হতে পারে। রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, কোয়েল যদি আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দেন, তাহলে ভবিষ্যতে ওই শূন্য আসনে তাঁকে প্রার্থী করার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।






