MithiJhora Today Full Episode 12 September: জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল মিঠিঝোরা (Mithijhora)। এই ধারাবাহিকে দেখা যায় যে, রাইয়ের অপারেশন হয়ে গেছে আর সে বাড়ি ফিরবার আগে হাসপাতালের সমস্ত স্টাফদেরকে বলছে একদিন সে আসবে এবং নিজে হাতে সকলকে রান্না করে খাওয়াবে, রাইয়ের এই ব্যবহার দেখে প্রত্যেকেই খুব খুশি হয়ে যাচ্ছে। ওদিকে রাইকে সুস্থ করে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারছে বলে বউমনি আর স্রোত খুব খুশি,সার্থকও তাদের সাথে আছে।
মিঠিঝোরা ১৩ সেপ্টেম্বর আজকের পুরো পর্ব/ MithiJhora Today Full Episode 12 September
আজকের পর্বের শুরুতেই দেখা যায় স্রোত বলে সে থাকাকালীন সে সমস্ত ওষুধপত্র দেখে শুনে দিয়ে দেবে আর সে যখন থাকবে না তখন যাবতীয় ওষুধপত্র রাই কে দিয়ে দেবে বউমনি। এটা শুনে রাই বলে, আমি কি একদমই পড়াশুনা জানি না? আমাকে নিয়ে তোরা কেন এত ভাবছিস? আমি তো ওষুধটা নিজেও নিয়ে খেতে পারব। এর মধ্যেই দেখা যায় সেখানে অনির্বাণ চলে এসেছে আবার তার মা সোহিনীকে নিয়ে এসেছে। দুজনে মিলে চেষ্টা করতে থাকে রাইকে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার।
অনির্বাণ সেখানে এসে বলে, আজ থেকে রাইয়ের সব দায়িত্ব আমার, রাইকে আমি খেয়াল রাখব। ওর যাবতীয় কিছু আমি দেখব। তখন স্রোত অনির্বাণকে রীতিমত কথা শোনায়। স্রোত বলে, তোমাকে কে দায়িত্ব দিয়েছে? আমরা কেউ তোমাকে দায়িত্ব দিয়েছি? তুমি দায়িত্ব নেওয়ার কে? তখন স্রোত বলে, তুমি যখন তার রিপোর্ট ভুল আসার জন্য আমার দিদি ভাইকে ভুল বুঝেছিলে তখন তোমার মনে ছিল না? দিদিভাইয়ের মুখের একটা কথাও সেদিন তুমি শুনেছিলে?
এরপর অনির্বাণ বলে, স্রোত তোমার মনে হয় না তুমি অনেক বেশি বাড়াবাড়ি করে ফেলছ? সার্থক তখন বলে, দেখুন রাইয়ের যাবতীয় চিকিৎসা ক্ষেত্রে সইসাবুদ কিন্তু ওর বোন স্রোতই করেছে। তাই বোন হয়ে যদি স্রোত নিজের দিদির খেয়াল রাখে তাতে তো অন্যায় কিছু নেই! অনির্বাণ তখন বলে, দেখুন ডাক্তার আপনি আমাদের বিষয়টা জানেন না, তাই এই বিষয়ে কথা বলবেন না। সোহিনী তখন পরিস্থিতিটাকে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে।
সোহিনী বলে, দেখ স্রোত, মেয়েদের জীবনে তাদের শ্বশুরবাড়িটাই আসল জায়গা। রাইয়ের এখন উচিত তার শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যাওয়া। আমরা ওর খুব খেয়াল রাখব। অনির্বাণ রাইকে ফিরে যাওয়ার কথা বললে রাই সার্থককে বলে, দেখুন আমাদের মনে হয় এবার বাড়ি যাওয়া উচিত আর কতক্ষণ এখানে এইভাবে দাঁড়িয়ে থাকব? বউমনি তখন বলে, অনির্বাণ রাইয়ের তো শরীরটা ভালো নেই, ওকে একটু ভালো থাকতে দাও, একা থাকতে দাও।
এরপর ধারাবাহিকে দেখা যায় সোহিনী বাড়ি এসে রাগে গজগজ করতে থাকে কিন্তু অনির বাবা প্রসেন বলে, রাই ও স্রোত যা করেছে একদম ঠিক করেছে। অন্যদিকে রাই বাড়ি ফিরলে তার অফিসের মালিক তাকে ফোন করে এবং বলে রাই এখন ছুটিতে থাক তবে এই দুই তিন মাস তাকে ৭৫ শতাংশ মাইনে দেওয়া হবে, সে যখন অফিসে আবার আসবে তখন এই টাকাটা তার মাইনে থেকে কেটে নেওয়া হবে। তবে একটা চুক্তি থাকবে যে দুই বছর এই কোম্পানি ছাড়া রাই অন্য কোথাও কাজ করতে পারবে না। রাই তো এই কথা শুনে খুব খুশি হয় আর দুশ্চিন্তা মুক্ত হয়। অন্যদিকে অনির্বাণ তো অফিসে না গিয়ে দিনরাত মনমরা হয়ে পড়ে আছে, তোমাদের কি মনে হয় আর কখনও কি ক্ষমা পাবে না অনির্বাণ?






