জি বাংলা ( Zee Bangla)-র মিঠিঝোরা (MithiJhora) ধারাবাহিকে দেখা যায় উজ্জ্বল বাবু রাই , মিষ্টি সকলের সামনে তার আসল উদ্দেশ্যর কথা খুলে বলেন। তিনি জানান , তিনি স্রোতকে নিজের বাড়ির বৌমা করতে চান সার্থকের সাথে বিয়ে দিতে চান, যেটা শোনার পর সার্থক আর স্রোত মনে মনে খুশি হলেও বাইরে একে অপরের সাথে ঝগড়া করতে থাকে এবং তারা এই বিয়ে মানে না বলে প্রতিবাদ করতে থাকে।
মিঠিঝোরা আজকের পর্ব ৪ অক্টোবর (MithiJhora today full episode 4 October)
আজকের পর্বে দেখা যায় রাত্রি বেলা স্রোত ভাবতে থাকে যে তার দিদি রাই তারও আগে তার মন বুঝতে পেরে যায়! সেই কারণেই সার্থকের প্রতি তার দুর্বলতা বুঝতে পেরে গেছে তারা। এরপর স্রোত পড়ার টেবিলে বসে পড়ছিল সেই মুহূর্তে সার্থক তাকে ফোন করে বসে। সার্থকের ফোন দেখে একটু অবাক হয় স্রোত সে দেখে নাই তার দিদি রাই ঘুমিয়ে পড়েছে কিনা -তারপর সে ঘর থেকে বেরিয়ে আসে আর সার্থককে ফোন করে। অন্যদিকে সার্থক ভাবতে থাকে আমি এটা কি করলাম ছি ছি আমি এত রাত্রিবেলায় কেন মিছিমিছি স্রোত কে ফোন করলাম? স্রোত কী ভাববে? ও যদি ফোন করে তাহলে আমি কী বলব?
এসব কথা ভাবতে ভাবতেই স্রোত ফোন করে, সার্থক মনে মনে ঠিক করে নেয় কিছুতেই সে বুঝতে দেবে না যে সে জেনেশুনেই ফোনটা করেছে, তাই সে ফোন ধরে চোটপাট করতে থাকে আর বলতে থাকে আঙুলের চাপ লেগে ভুল করে ফোন চলে গেছে। অন্যদিকে স্রোত নিজের দুর্বলতা বুঝতে চায় না তাই সে ঝগড়া করতে থাকে কেন এত রাত্রিবেলায় তাকে ফোন করে বিরক্ত করা হল তার কৈফিয়ত চাই, অন্যদিকে সার্থকের সাথে ঝগড়া করতে করতে সে বলে দেয় তার সৌভিককে বেশি পছন্দ হয়েছে আর সে সৌভিকের সাথেই আগামীকাল দেখা করবে।
ফোন রাখার পর স্রোত আফসোস করতে থাকে রাগের বশে কী বলেছে এই ভেবে! সার্থক স্রোতের কথা শুনে রাগে জ্বলতে থাকে যে স্রোতের সৌভিককে পছন্দ ছিল এবং সে সৌভিককে বিয়ে করতে চায় এটা ভেবে! অন্যদিকে নীলু নরম নরম কথা বলে শৌর্য্যর থেকে টিয়ার অতীতের বিষয়ে সমস্ত কিছু জেনে নেয়। টিয়া ভালোবেসে একজন ভুল ছেলেকে বিয়ে করেছিল যার আসল উদ্দেশ্য ছিল শৌর্য্যদের বিশাল সম্পত্তি নিজেদের নামে করে নেওয়ার, বিয়ের পর টিয়াকে মারধর করলে শৌর্য্য তাকে বাড়ি ফিরিয়ে আনে কিন্তু টিয়ার আর কাউকে বিশ্বাস হয় না, সে বিয়ে করতে চায় না
তারপর নীলু ঠিক করে এই বাড়িতে তার জায়গা পাকা করতে গেলে টিয়াকেই হাতিয়ার করতে হবে। সেই কারণে সে পরের দিন টিয়ার কাছে যায়, আর ভাল ভাল কথা বলে টিয়ার মন নরম করে দেয়। অন্যদিকে বিক্রম মিষ্টিকে ডেকে বলে ডাক্তার কালকেই তাকে ভর্তি হতে বলেছে যাবতীয় টেস্ট করে অপারেশন করবে। মিষ্টি বলে এতগুলো টাকা কীভাবে জোগাড় হবে? বিক্রম বলে টাকা তো ফান্ড থেকে জোগাড় হবে!
মিষ্টি তখন বলে সেটা তো অপারেশনের টাকা, কিন্তু অপারেশনের পরেও তো আনুষঙ্গিক কিছু খরচ থাকে! আমাকে একটা সপ্তাহ সময় দাও আমি ব্যাঙ্কে গিয়ে একটা লোনের ব্যবস্থা করি। সেই সময় রাই চলে আসে ঘরে, আর রাই জিজ্ঞেস করে কীসের অপারেশন? কিন্তু বিক্রম তাকে বলে আমি পঙ্গু বলে কি তুই আমার ঘরে অনুমতি ছাড়াই ঢুকে পড়বি? রাই তখন বেরিয়ে যায় আর বিক্রম বলে তুমি কী বলবে সেটা তোমার ব্যাপার কিন্তু মিষ্টি আমি চাই না রাই এই বিষয়ে কিছু জানুক।





