স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক খড়কুটো। বাবিন এবং গুনগুনের দুষ্টু মিষ্টি খুনসুটি দেখতে দর্শকরা বেশ খুশি।তবে এখন অবশ্য ধারাবাহিকের পর্দায় চলছে বিরহের পালা। গুনগুনের বাবা অর্থাৎ কৌশিক বাবু মেয়ের শ্বশুরবাড়ি ওপর রাগ করে এখন নিজের কাছেই রেখেছেন।
এমনকি গুনগুনের পড়াশোনা জন্য ইউনিভার্সিটি ভর্তি করেছেন। তার দাবি, স্বামী সৌজন্যকে ভুলে ভালো করে পড়াশোনা করুক গুনগুন। নিজের পায়ে দাঁড়াক সে।
কিন্তু তাদের প্রেম খন্ডায় এমন ক্ষমতা কার আছে? তাই সুযোগ পেলেই দুজনে দেখা করে নিজেদের মত সময় কাটাচ্ছে গুনগুন এবং বাবিন।দুজনের ভালোবাসা বেশ বুঝতে পারছে তারা।তাই সময় পেলেই রোমান্সে মেতে উঠেছে তারা।
ধারাবাহিকের গল্পে দেখা যাচ্ছে এক্সকারশনে যাওয়ার কথা গুনগুনের। সেখানে প্রফেসর হিসেবে যাবেন সৌজন্য। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই বাড়িতে একেবারে হইচই রব।বাবিনকে সুযোগ পেলেই তাকে নিয়ে মজা চলছে।মিষ্টির মতে, ঘুরতে গিয়ে সৌজন্য গুনগুনের সাথে থাকতে পারবে কি না তা নিয়েই চিন্তায় রয়েছে।
View this post on Instagram
তবে এদিকে তারা যে গোপনে দেখা করছে , ঘুরে বেড়িয়ে নিজেদের মত সময় কাটাচ্ছে এটা কৌশিক বাবু ভালোই জানেন।কিন্তু তিনি একেবারে চুপ। কাউকে কিছু বলেননি।এমনকি দুই পরিবারের কেউ জানেই না, যে কৌশিক বাবু আসলে সবটাই জানেন।এই বিষয় নিয়ে বেশ রহস্য করেছেন লেখিকা।
ধারাবাহিকের নতুন প্লট নিয়ে উত্তেজিত দর্শকরাও। তবে কি এবার একসাথে রাত কাটাতে দেখা যাবে সৌজন্য ও গুনগুন কে।কৌশিক বাবুর এই রহস্য নিয়ে অবশ্য দর্শকদের মধ্যে আলোচনা তুঙ্গে উঠেছে। তাদের ধারণা গুনগুন আর সৌজন্য কথায় কথায় বলে, তারা নিজেরা পছন্দ করে এই বিয়ে করেনি। বাড়ির লোকের কথাতে করেছে। তাই, তাদেরকে ভালোবাসার আসল অর্থ ও একে-অপরের দাম বোঝাতেই এমনটা করছেন তিনি।





