‘আমার তো ইচ্ছে করছিলো পুঁতে দি ঐ নীলুটাকে’, রাইয়ের কষ্টে মুখে হাসির নীলুর, দর্শকদের চক্ষুশূল হয়ে উঠেছে নীলু!

জি বাংলার ধারাবাহিক “মিঠিঝোরা” (Mithijhora) রাই, নীলু ও স্রোতের জীবনের নানা উত্থান-পতনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে। রাইয়ের কোন বন্ধু এসে একটি গিফট দিয়ে গেছে। আর সেই গিফটে ছিল রাই শৌর্যের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি। সেই ছবি দেখে দিগ্বিদিক জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়ে অনির্বাণ। রাগের বশে রাইকে ঠেলে দিয়ে চলে যায়। বৌদি রাইকে বোঝায় যে এই মিথ্যের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। সকলকে সত্যি জানাতে হবে।

ধারাবাহিকে (Mithijhora) দেখা গেছে, রাইয়ের শৌর্যের সাথে যে ঘনিষ্ট ছবিগুলি দেখেছে সেই সম্বন্ধে অনির্বাণ তার মাকে জানায়। এইসব জানা মাত্রই অনির্বাণের মা ক্ষিপ্ত স্বরে বলতে থাকে যে আমি জানতাম এমন হবে। এদিকে অনির্বাণের বোন বোঝায় যে ছবিগুলো তো ভুল ও হতে পারে, এডিটিং ও হতে পারে। রাই ঠিক করে শৌর্যের কাছে গিয়ে এর উত্তর চাইবে। কারণ যদি কারোর কোন ভালো হয় এতে সেটা একমাত্র শৌর্যের। পরের দিন সকাল বেলায় শৌর্যের বাড়িতে হাজির হয় বউমণি ও রাই। এত সকালে তাদের বাড়িতে রাইকে দেখে অবাক হয়ে যায় সকলে।

ধারাবাহিকের (Mithijhora) গল্প অনুযায়ী, শৌর্য ভাবে রাই সেখানে নীলুর ব্যাপারে কথা বলতে গেছে। শৌর্য নীলুর সম্বন্ধে অনেক কথা বলতে থাকে। রাই জানিয়ে দেয় সেখানে সে এই বিষয়ে কথা বলতে আসেনি। উল্লেখ্য, রাই জানায় যে সব কথা সবার সামনে বলা যায় না। রাই বলে তাহলে আমাকে এখানে সবার সামনেই দেখাতে হবে সবকিছু। এদিকে রাইয়ের মায়ের মন মেজাজ ভালো নেই। অনির্বাণের মা কথা বলতে এসেছে রাইয়ের মায়ের সাথে এসে রাইয়ের নামে নানান খারাপ কথা বলে। রাইকে চরিত্রহীন বলে সোহিনী দেবী। এমনকি ছবির কথাও রাইয়ের মাকে জানিয়ে দিয়ে যায়। অনির্বাণের মায়ের মুখ থেকে সবকিছু শুনে রাইয়ের মা বিরক্ত বোধ করে।

প্রসঙ্গত, রাই বাড়িতে ফিরতেই রাইয়ের মা ভীষণভাবে রেগে যায়। এমনকি রাইকে মারতে যায়‌। রাই মুখ বুঝে সব সহ্য করতে থাকে। মিঠিঝোরা ধারাবাহিকের এই পর্ব দেখে দর্শকেরা নীলুকে কোণঠাসা‌ করছে। কেউ বলছে, “মা দিদিকে মারছে, আর বোন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে হাসছে। সত্যি কিছু বলার ভাষা নেই! রাইয়ের মাকে আমরা চিনি, উনি কি রকম মহিলা সেটাও আমরা জানি। রাইয়ের গায়ে আগেও হাত তুলেছেন.!”

আবার কেউ বলছেন, “নীলু, ছি: ওর নামটা লিখতেও ঘৃণা করছে.! এতোকিছু করেও তার মন ভরলোনা! তার মা যখন রাইকে চুলের মুঠি ধরে টেনে মারছে! সে ছাড়াবে কোথায়, সেটা না করে সে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে হাসছে! আমার তো ইচ্ছে করছিলো যেয়ে পুঁতে দি ঐ নীলুটাকে”।

আরও অন্যান্য খবর