বিজয় দশমীর শুভক্ষণে এই কাজগুলি করলে দূর হবে অর্থাভাব! জেনে নিন, কোন কাজ করলে উন্নতির পথ প্রশস্ত হবে

আজ দশমী। পুজো প্রায় শেষ লগ্নে পৌঁছে গিয়েছে। এই দিনই দেবী দুর্গা বধ করেছিলেন মহিষাসুরকে। আবার এই একই দিনে রাবণ বধ করেন রাম। আশ্বিনের শুক্লপক্ষের দশমী তিথিতে একসঙ্গে পালিত হয় ‘দশহরা’ আর ‘বিজয়া দশমী’। এদিন সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে থাকে বিজয়া দশমীর ধুম। দুর্গাকে বরণ করে বিদায় জানানো হয়। সিঁদুর খেলায় আর মিষ্টি মুখে এই দিনটি পালন হয়ে থাকে।

অন্যদিকে আবার অন্যান্য রাজ্যে ‘দশহরা’ পালিত হয়। রাবণ বধের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অধর্মের উপর ধর্মের জয়ের উৎসব পালন হয়। এই দিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সকলের কাছেই। পাশাপাশি জানা গিয়েছে, চলতি বছরে এদিনই সৃষ্টি হয়েছে তিনটি শুভ যোগ। আবার অবুঝ মুহূর্ত থাকায় যেকোনো কাজের জন্যই আজকের দিনটি শুভ। শাস্ত্র অনুযায়ী বিজয় দশমীর দিন কিছু কাজ করলে অর্থাভাব দূর হয়। এমনকি উন্নতির পথ আরও প্রশস্ত হয়। কী সেই কাজগুলি! –

মূলত এই দিন অস্ত্রশস্ত্র পরিষ্কার করে পুজো করুন। কোনও বিষয়ে মামলা চললে সেই মামলার নথিপত্র ঠাকুরঘরে প্রতিমার নীচে রেখে দিন। তা করলে সুফল লাভ করবেন। হতেও পারেন মামলায় জয়ী হয়ে গেলেন। পাশাপাশি সূর্যমুখীর বীজের পুজো করে লকারে রেখে দিতে পারেন। করলে অর্থাভাব দূর হবে।

পাশাপাশি মেয়েদের উদ্দেশ্যে দান পূর্ণ করলে দুর্গার বিশেষ আশীর্বাদ লাভ করা যায় এই বিজয়া দশমীর দিনে। যার দরুন ধনবৃদ্ধি হয় ও সাফল্য লাভ হয়। এদিকে উন্নতির জন্য বিজয় দশমীর দিনে কাঁচা সুতোকে জাফরান দিয়ে রং করে ফেলুন। এরপর ‘ওম নমো নারায়ণ’ মন্ত্রটি ১০৮ বার জপ করুন। জপ শেষে সেই জাফরান মাখানো কাঁচা সুতো নিজের কাছে রেখে দিন। সাফল্য পাবেন।

এই শুভক্ষণ থেকে প্রতিদিন ১০৮ বার গায়ত্রী মন্ত্র জপ করুন। তাহলে বুদ্ধি শুদ্ধ ও নির্মল হবে। কিন্তু কোনো দুর্বল ব্যক্তির ওপর নিজের শক্তি ও সামর্থ্য প্রয়োগ করবেন না। যদি নিজের পরিবার ও নিজের ওপর আগত সমস্ত নেতিবাচক দুষ্প্রভাব দূর করতে চান, তাহলে দক্ষিণ দিকে মুখ করে বজরংবলীর সামনে তিল তেলের প্রদীপ প্রজ্জ্বলিত করুন। এরপর উচ্চস্বরে সুন্দরকান্ড পাঠ করুন। সমস্ত নেতিবাচক দুষ্প্রভাব দূর হয়ে যাবে।

আজকের এই দিনটি শুভ। শাস্ত্র তাই বলছে। বিশেষ করে এই বছরই সৃষ্টি হয়েছে তিনটি শুভ যোগ। যে কারণে উল্লেখিত কাজ গুলি করলে উন্নতির পথ প্রশস্ত হবে।

আরও অন্যান্য খবর