দীপাবলির জন্য ঘর গোছাচ্ছেন? মেনে চলুন এই বাস্তু টিপসগুলি, লক্ষ্মীদেবীর কৃপা বজায় থাকবে গোটা বছর, সংসারে বাড়বে সমৃদ্ধি

আগামী ২৪শে অক্টোবর দীপাবলি। এদিন ফের একবার আলোয় আলোয় ভরে উঠবে চারিদিক। গোটা দেশ পালন করবে আলোর উৎসব। দীপাবলির আগে আমরা অনেকেই ঘরদোর পরিষ্কার ও বাড়িকে নতুনভাবে সাজিয়ে তুলি। এই সময় নতুন নতুন জিনিস কেনাকাটা করলেও, কিছু বাস্তু নিয়ম এই সময় মেনে চলা উচিত।

বলা হয়, বাস্তুর নিয়ম মেনে ঘর সাজালে লক্ষ্মী ঘরে প্রবেশ করে। এতে সংসারে সমৃদ্ধি হয়, ও ধনসম্পত্তি বাড়ে। এই বছর ঘর সাজানোর সময় এই বাস্তু টিপসগুলি অবশ্যই মাথায় রাখুন।

দীপাবলির আগে এই জিনিসগুলি সরিয়ে ফেলুন

দীপাবলির আগে ঘর থেকে আগে যে জিনিসগুলি দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতে ব্যবহার করা হয়নি সেগুলি সরিয়ে ফেলুন। পুরনো জীর্ণ প্লাস্টিকের ফুল, ভাঙা কাঁচ, পুরনো ও নোংরা জুতো, স্তূপীকৃত খবরের কাগজ, পুরনো জিনিসপত্র এগুলি সরিয়ে ফেলুন। মনে করা হয়, পুরনো আবর্জনা জিনিস থাকা মানেই অশুভ। নেগেটিভ শক্তি বহন করে ঘরের মধ্যে। তার জেরে গৃহে শান্তি বিঘ্নিত হয় ও অর্থ আসার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

প্রবেশপথের দরজা

দীপাবলিতে ঘর পরিস্কার করার সময় মূল দরজার চারপাশ পরিস্কার করুন। যদি প্রবেশ পথের দরজায় শব্দ হয় তা দ্রুত সারিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করুন। দরজা থেকে কোনও ধরনে শব্দ বের হওয়া মানেই অশুভ বলে মনে করা হয়। মূল প্রবেশপথে একচি রূপার কয়েন বা স্বস্তিকা চিহ্ন রাখতে পারেন। এছাড়া বাস্তু অনুযায়ী রূপোর লক্ষ্মীর মূর্তি আঁকা কয়েনও রাখতে পারেন। দরজার সামনে সাজানোর জন্য আমপাতা দিয়ে তৈরি মালা দিয়ে সাজান। এমনটা করলে লক্ষ্মী আপনার ঘরে প্রবেশ করবেনই করবেন।

বাড়ির ব্রহ্মস্থান

উত্তর-পূর্বের কোণের পর এবার বাড়ির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল ব্রহ্মস্থান। এই স্থানটিই হল ঘরের মাঝখানের অংশ। এই স্থানটি খোলা, পরিস্কার ও খালি হওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাড়ির মূল অংশ সঠিকভাবে পরিস্কার রাখার চেষ্টা করুন ও এখানে কোনও ভারী আসবাবপত্র রাখলে তা সরিয়ে ফেলুন। এই জায়গায় কোনও অব্যবহৃত জিনিস রাখবেন না।

উত্তরপূর্ব পরিস্কার রাখুন

দীপাবলির আগে বাড়ির উত্তর-পূর্ব কোণটি সঠিকভাবে পরিস্কার করুন। মনে রাখবেন, উত্তর-পূর্বের দিকটিই হল ঈশ্বরের স্থান। তাই এই জায়গাটি পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উত্তর-পূর্ব কোণ কোনও অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র রাখবেন না। এটি করলে দেবী লক্ষ্মী ক্রদ্ধ হোন ও আশীর্বাদ ছাড়াই বাড়ির মূল দরজা থেকে ফিরে যান।

RELATED Articles