আর কদিন পরে বাঙালির অন্যতম উৎসব দীপাবলী। আলোর রোশনাই সেজে ওঠে গোটা শহর থেকে গ্রাম অলি গলির প্রতিটা অংশ। বাঙালির কালীপুজো থেকে শুরু করে ধনতেরাস দেওয়ালির মতন উৎসব মানেই আলোয় আলোকিত এক শহর।শুধুমাত্র হিন্দু না, শিখ জৈন সহ অন্যান্য ধর্মের মানুষ এই উৎসবে মেতে ওঠেন। কিন্তু এই দীপাবলীর মধ্যে জড়িয়ে আছে ঐতিহাসিক দস্তাবেজ। জড়িয়ে আছে রাম, সীতা ও লক্ষ্মণের অযোধ্যায় ফেরার কাহিনি। রয়েছে মহাভারত ও মহাবীরের গল্প।
ভারতের অন্যতম ঐতিহাসিক পুরান রামায়নে দীপাবলি উল্লেখ আছে। শোনা যায়, দশেরা উৎসবে রাবণ বধ করে অযোধ্যায় ফিরেছিলেন রাম, সীতা এবং লক্ষণ।সেই সময় তাদের স্বাগত জানাতে দীপাবলি উৎসব পালন করা হয়।
শুধুমাত্র রামায়ণ না,মহাভারতের পাতায় দীপাবলীর উল্লেখ পাওয়া যায়। মহাভারত সূত্রে জানা যায় ভূদেবী ও বরাহর পুত্র নরকাসুর স্বর্গ ও মর্ত্য দখল করে প্রবল অত্যাচার শুরু করেন সকলের ওপর। শ্রীকৃষ্ণ নরকাসুরকে বধ করে তাঁর প্রাসাদে বন্দিনী ১৬ হাজার নারীকে উদ্ধার করেন। তখন এদের সবাইকেই বিয়ে করেন কৃষ্ণ। মৃত্যুর আগে নরকাসুর কৃষ্ণের কাছ থেকে বর চেয়ে নেন।সেখানে তিনি দাবি করেন যে তাঁর মৃত্যুর দিনটি যেন ধূমধাম করে পালিত হয়। এই দীপাবলিতেই নাকি নরকাসুরকে বধ করেছিলেন কৃষ্ণ।
জৈন ধর্মের মতে এই মহা দিনে নির্বাণ লাভ করেছিলেন মহাবীর।





