এবারের ২১ জুলাই ঘিরে বাংলার রাজনীতিতে দেখা গেল এক ভিন্ন ছবি। একই দিনে আলাদা আলাদা করে কর্মসূচি করল তৃণমূলের একাধিক শিবির। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠী। এমনকি NCPI-তে যোগ দেওয়া প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদেরাও দিল্লিতে আলাদা অনুষ্ঠান করেন। ফলে গোটা ঘটনাই নজর কাড়ে রাজনৈতিক মহলে।
২১ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বহুদিন ধরেই গুরুত্বপূর্ণ দিন। যুব কংগ্রেসের আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত ১৩ জন শহিদের স্মরণে এই দিনটি পালন করা হয়। পরে এই কর্মসূচি তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে আসে এবং প্রতিবছর বড় করে আয়োজন করা হত। কিন্তু এবার সেই ঐক্যবদ্ধ চিত্র আর দেখা গেল না।
একসময় এই মঞ্চে তারকাদের ভিড় থাকত চোখে পড়ার মতো। অভিনেতা, গায়ক, পরিচালক থেকে শুরু করে নানা পরিচিত মুখ হাজির থাকতেন। তবে এবার মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে কুণাল ঘোষ, মহুয়া মৈত্র, দোলা সেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া বড় কোনও তারকার উপস্থিতি তেমন দেখা যায়নি। এই বিষয়টিই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।
এই পরিস্থিতিতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। তিনি তাঁর পোস্টে লিখেছেন, একসময় যারা মমতার আশেপাশে থাকতেন, তাঁর নাম ব্যবহার করতেন, আজ তাঁদের অনেকেই অন্য দলে চলে গেছেন। ক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের আনুগত্যও বদলে যায় বলেই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, এই ঘটনা সবার জন্য একটি শিক্ষা হয়ে থাকতে পারে।
আরও পড়ুনঃ ঠোঁটে ঠোঁটের স্বামীর সঙ্গে রোম্যান্টিক মুডে, মিঠুন-কন্যা দিশানী চক্রবর্তী! ডিস্কো ডান্সারের মেয়ে বিয়ে সারলেন বিদেশের মাটিতেই? ছিল কী কী বিশেষ আয়োজন?
প্রসঙ্গত, কলকাতায় এবার তিনটি আলাদা স্থানে ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি হয়। মমতা-অভিষেকের সভা হয় বিড়লা তারামণ্ডলের কাছে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠীর সভা ধর্মতলায় এবং কংগ্রেস আয়োজন করে শহিদ মিনারে। প্রতি বছরের মতো এবারও বিভিন্ন জেলা থেকে কর্মীরা শহরে আসেন, তবে আগের মতো সেই জাঁকজমক কিছুটা কম বলেই মনে করছেন অনেকেই।






