যাত্রীরা চাইলে টিকিট বাতিলের টাকা ফেরত দিতে বাধ্য বিমান সংস্থাগুলি, নির্দেশ দিল ডিসিজিএ

করোনা সংক্রমনের হার এখনো ঊর্ধমুখী। এমতাবস্থায় দেশ জুড়ে দ্বিতীয় দফায় লকডাউনের নির্দেশ জারি করেছেন ভারত সরকার। লকডাউনের দ্বিতীয় পর্বে ৩রা মে রাত ১১.৫৯ পর্যন্ত সমস্ত আন্তর্জাতিক ও অন্তর্দেশীয় বিমান বাতিল করেছে বিমান সংস্থাগুলি। কিন্তু ৩রা মে পর্যন্ত বাতিল হওয়া বিমান পরিষেবার টাকাগুলি ফেরত না দিয়ে ‘ক্রেডিট শেল’-এ রেখে দেওয়ার কথা জানিয়েছিল বিমান সংস্থাগুলি। তাদের এ হেন সিদ্ধান্তে যাত্রীদের মধ্যে প্রবল ক্ষোভের বাতাবরণ তৈরি হয়। এই পরিস্হিতি সামাল দিতে বৃহস্পতিবার ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল এভিয়েশন (DGCA) সমস্ত বিমান সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছেন, যাত্রীরা যদি তাদের টিকিট বুকিং এর টাকা ফেরত চায় তবে সেই টাকা বিমান সংস্থাগুলো ফেরত দিতে বাধ্য। তিন সপ্তাহের মধ্যে বুকিং বাতিলের টাকা ফেরত দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে ডিসিজিএ।

জানা গিয়েছে, লকডাউনের প্রথম পর্ব অর্থাৎ ২৫শে মার্চ থেকে ১৪ই এপ্রিল এর মধ্যবর্তী সময়ের মধ্যে যে বুকিংগুলো করা হয়েছিল তার সমস্ত টিকিটের টাকা ফেরত দিতে হবে। বস্তুত, সাধারণ যাত্রী থেকে শুরু করে অনেক ট্রাভেল এজেন্সি টিকিটের টাকা ফেরত নিয়ে বিমান সংস্থাগুলির সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। বিমান সংস্থাগুলি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তারা টিকিটের টাকা ফেরতের বদলে তা ‘ক্রেডিট শেল’-এ রেখে দেবে এবং পরে বুকিং রিশিডিউল করে দেবে। তাদের এই সিদ্ধান্তে গ্রাহকরা রেগে যান। প্রসঙ্গত, এয়ার ইন্ডিয়া ছাড়া বাকি সমস্ত বেসরকারি বিমান সংস্থাগুলি প্রথম দফার লকডাউনের শেষ হওয়ার পরের সময়ের জন্য টিকিট বুকিং শুরু করে দেয়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ১৪ই এপ্রিল মঙ্গলবার, জাতির উদ্দেশ্যে দ্বিতীয় দফার লকডাউনের ঘোষণা করেন। যার মেয়াদ স্থির হয় ৩রা মে পর্যন্ত। এরপরই সব গণপরিবহনের টিকিট বাতিল হয়ে যায়। কিন্তু সংস্থাগুলি স্থির করে যে তারা টাকা ফেরত না দিয়ে বরং অতিরিক্ত চার্জ ছাড়া পরবর্তী সময়ে বুকিংয়ের সুবিধা করে দেবে যাত্রীদের। তবে ভাড়া বাড়লে সেই টাকা যাত্রীদের দিতে হতে পারে। তবে এদিন ডিজিসিএ-এর নির্দেশে স্বভাবতই খুশি যাত্রী থেকে ট্রাভেল এজেন্টরা।

আরও অন্যান্য খবর