সারা ভারতজুড়ে মাইক্রো এটিএম (Micro ATM) চালু করল ফিনটেক সংস্থা র্যাপি পে (RapiPay)। এটিএম থেকে নগদ টাকা তোলার ক্ষেত্রে মাইক্রো এটিএম কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আমরা সকলেই জানি। তাই সংস্থার এই উদ্যোগ মানুষের জন্য অত্যন্ত উপকারী বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে আগামী দুবছরে নতুন পাঁচ লক্ষ মাইক্রো এটিএম চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে সংস্থা।
এই সংস্থা ফ্রাঞ্চাইজড রিটেল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এবং গ্রাহকদের ব্যাংকিং বিজনেস করেসপন্ডেন্ট (BCs) পরিষেবা দেয়। র্যাপি পে -এর বিসি মডেল লক্ষ লক্ষ ভারতীয় খুচরো বিক্রেতাকে নিজেদের কর্মসংস্থান গড়ে তোলার সুযোগ দিয়ে এক ‘আত্মনির্ভর ভারত’(Atmanirbhar Bharat) গড়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সংস্থার এমডি এবং সিইও যোগেন্দ্র কাশ্যপ জানান, এই সংস্থার মাইক্রো এটিএম গুলো বাজারে দুর্দান্ত সাড়া ফেলেছে। মাইক্রো এটিএম চালু করার এক মাসের মধ্যেই পঁচিশ হাজারেরও বেশি ডিভাইসে ইন্সটল করা হয়ে গিয়েছে। গ্রাহকরা এই সংস্থার যেকোনো সাথী স্টোরে গিয়ে অতি সহজেই নগদ টাকা তুলতে পারবেন। এছাড়াও (AePS) এবং টাকা ট্রান্সফার, বিল ও করের পেমেন্ট ইত্যাদির মতো অন্যান্য পরিষেবাও দিয়ে থাকবে এই সংস্থার মাইক্রো এটিএম গুলো।
জানা গিয়েছে বর্তমানে অতিমারি পরিস্থিতিতে টাকা তোলার ক্ষেত্রে মাইক্রো এটিএম গুলি অনেক বড় ভূমিকা পালন করছে। বিশেষ করে যে সমস্ত শ্রমিক বর্তমানে কর্মহীন অথবা যারা চাষবাস করেন তাদের জনধন অ্যাকাউন্টে যে টাকা ঢুকেছে কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে সেই টাকা তোলার জন্য এই সংস্থার মাইক্রো এটিএম ব্যবহার করা হচ্ছে।
আরবিআই সম্প্রতি একটি পরিসংখ্যান সামনে এনেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে দেশে দু লক্ষ কুড়ি হাজার এটিএম এর মধ্যে কেবল মাত্র ১৯% এটিএম গ্রামাঞ্চলে রয়েছে। এদিকে ভারতীয় জনসংখ্যার ৬২% গ্রামে বাস করেন। গ্রামাঞ্চলে এটিএম এমনি কম তার ওপর বর্তমানে গ্রামে এটিএমের সংখ্যাও কমে আসছে। এই অবস্থায় এই সংস্থার মাইক্রো এটিএম গুলি গ্রামবাসীদের অনেকটাই সুবিধা দেবে। র্যাপি পে (RapiPay) মাইক্রো এটিএমগুলি ব্যবহার করা অত্যন্ত সহজ। এটি আপনাকে সুরক্ষিত ট্রানজাকশন এর সুবিধা ও দেয়।





