ছোটো বয়স থেকেই সংসারের দায়িত্ব কাঁধে চেপে বসে তাঁর। পরিবারে মা, বাবা, বড় ভাই, ও তিন বোন। বাবা যা আয় করে তাতে সংসার চলে না। তাই সকলের মুখে খাবার তুলে দিতে ১০ বছর বয়সেই মোজা বিক্রি করতে থাকে বংশ সিং। দেই কারণে পড়াশোনাও ছাড়তে হয় তাঁকে। লুধিয়ানার হাইবোয়াল অঞ্চলে একটি ভাড়া বাড়িতে থাকে সে।
এরকমই এক গাড়ির চালককে মোজা বিক্রি করতে যায় সে। ওই গাড়ির চালক তার থেকে মোজা কিনে, তার কথা শুনে মর্মাহত হয়ে তাকে ৫০ টাকা বেশি দিতে চায়। কিন্তু গরীব হলেও আত্মসম্মান রয়েছে ওই বাচ্চা ছেলেটির। সেটা বিকিয়ে শুধু শুধু টাকা নিতে অস্বীকার করে সে।
বাচ্চা ছেলেটির এই আত্মসম্মান দেখে মুগ্ধ হন ওই গাড়ির চালক। তার একটি ভিডিও করে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন তিনি। বর্তমান যুগে সোশ্যাল মিডিয়া একটা বড় ভূমিকা পালন করে কোনও মানুষের সম্বন্ধে জানতে। তুমুল ভাইরাল হয় সেই ভিডিও।
সেই ভিডিও গিয়ে পৌঁছয় পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং-এর কাছে। এরপরই বংশকে সরাসরি ভিডিও কল করেন তিনি। জানতে চান তার পরিবারের অবস্থা। সব কিছু দেখেশুনে তিনি সংশ্লিষ্ট জেলা শাসককে নির্দেশ দেন যাতে বংশকে স্কুলে ভর্তি করানো হয়। আর তার পড়াশোনার যাবতীয় খরচ বহন করবে পঞ্জাব সরকার।
May God bless you Beta! https://t.co/2swOVKTKtt
— Capt.Amarinder Singh (@capt_amarinder) May 13, 2021
শুধু তাই-ই নয়, জেলা শাসক বংশের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্যও করেন। এবং বংশের দাদা মান্নাতও যাতে দশম শ্রেণীতে ভর্তি হতে পারে, এরও ব্যবস্থা করা হয়। জেলা শাসক বংশের মা-বাবকে অনুরোধ করেন যাতে তাদের সন্তানদের তারা পড়াশোনা করান ও পরবর্তীকালে যে সরকার তাদের আরও সাহায্যও করবে, এমন আশ্বাসও দেন।





