অদ্ভুত চুলের স্টাইল! মেনে চলা হয়নি নিয়ম, ৫২ জন পড়ুয়াকে পরীক্ষাতেই বসতে দিল না সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল

স্কুল মানে নিয়মশৃঙ্খলার গণ্ডির মধ্যে থাকা। সব স্কুলেই সবসময়ই নিয়মানুবর্তিতা, অনুশীলন, পরিচ্ছন্নতা, সৌজন্যতা মেনে চলা হয়। স্কুলের নিয়মে কোনও ছেদ পড়লে কোনও পদক্ষেপ নিতে পারে স্কুল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু স্কুলের নিয়ম না মানলে কী হতে পারে, তার জলজ্যান্ত নিদর্শন দেখা গেল এবার।

কী ঘটেছে গোটা ঘটনাটি?

সঠিকভাবে চুল না কেটে, চুলের অদ্ভুত স্টাইল করে স্কুলে আসার জন্য এবার পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করল স্কুল কর্তৃপক্ষ। ৫২ জন পড়ুয়াকে দশম শ্রেণীর প্রি-বোর্ড পরীক্ষায় বসতেই দিল না স্কুল। ঘটনাটি ঘটেছে গত ৬ জানুয়ারি রাঁচি সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুল ডোরান্ডায়। সেদিন দশম শ্রেণীর ভূগোল পরীক্ষা ছিল।

কী প্রতিক্রিয়া অভিভাবকদের?

চুল ছোটো করে না কাটার জন্য যে স্কুল পড়ুয়াদের এমন শাস্তি দিতে পারে, তা ভাবতেই পারছেন না অভিভাবকরা। এক অভিভাবক জানান, “পরীক্ষা চলাকালীন তাদের লাইব্রেরি রুমে বসতে বাধ্য করা হয়েছিল। তাদের পরীক্ষা দিতে না দেওয়ার পরিবর্তে স্কুলের তাদের সতর্ক করা উচিত ছিল”। এটাই প্রথম ঘটনা নয়, এর আগেও এই স্কুলে দ্বাদশ শ্রেনীর এক ছাত্রকে ফুটবল মাঠে তার শর্টস খুলে ফেলতে বাধ্য করেছিল বলে জানা গিয়েছে। কারণ সেই শর্টস অনুমোদিত ছিল না।

অন্য এক অভিভাবকের কথায়, “স্কুলগুলো মজার কাজ করে। পিটি শিক্ষক মনে করেন যে তিনি সমস্ত শৃঙ্খলার রক্ষক”। স্কুলের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, পড়ুয়াদের অবশ্যই সঠিক ভাবে চুল কাটা ও নখ সুন্দরভাবে রাখতে হবে। স্কুলের ওয়েবসাইটে এও বলা হয়েছে যে পরীক্ষার সময় পড়ুয়াদের অবশ্যই উপস্থাপনযোগ্য দেখতে হতে হবে।

এই ঘটনায় এক শিক্ষানীতি বিশ্লেষকের মত, “একটি স্কুল চুলের স্টাইলের কারণে কোনও ছাত্রকে পরীক্ষা লেখার অ্যাক্সেস অস্বীকার করতে পারে না বা কোনও প্রতিবেদন বা পাঠের অ্যাক্সেস অস্বীকার করতে পারে না। একটি স্কুলের আচরণবিধি অবশ্যই দেশে প্রচলিত সংবিধান এবং আইনের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে”।

Khabor24x7 Desk

আরও পড়ুন

আরও অন্যান্য খবর