‘আচ্ছা চলতা হুঁ, দুয়াও মে ইয়াদ রাখ না’, এই গান গেয়েই পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছিল বছর ১৭-এর ঋষভ। আর সেই গান সম্প্রতি ফের একবার ভাইরাল হল সোশ্যাল মিডিয়ায়।
ভিডিওটি বেশ পুরনো হলেও তা নতুন কের দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া। বেঙ্গালুরুর এক হাসপাতালে জীবনের শেষ দিনগুলোতে গিটারকেই সঙ্গী করে নেয় ওই কিশোর। জটিল রোগের সঙ্গে লড়তে এই গিটার ও তাঁর গানই হয়ত তাঁকে সাহস জুগিয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। মাত্র ১৭ বছর বয়সেই মৃত্যু হয় ঋষভের। কিন্তু তাঁর গান সকলের মন জিতে নিয়েছে।
সম্প্রতি, Todays TREND নামের ফেসবুকের একটি পেজ থেকে সেই ভিডিওটি শেয়ার করা হয়। বেশ কিছুদিন আগে আসামের তিনসুকিয়ার বাসিন্দা ১৭ বছরের ঋষভ দত্তের রক্তে জটিল এক রোগ ধরা পড়ে। পরিস্থিতি এতটাই সংকটজনক হয়ে ওঠে যে বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট ছাড়া ঋষভকে সুস্থ করে তোলা অসম্ভব ছিল।
এরপরই চিকিৎসার জন্য ঋষভকে আসাম থেকে বেঙ্গালুরুতে নিয়ে যাওয়া হয়। বেঙ্গালুরুর খ্রিস্টান মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা শুরু হয় ঋষভের। পরে তাঁকে স্থানান্তরিত হয় বেঙ্গালুরুর এক বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে চলছিল তার বোনম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টের প্রস্তুতি।
কিন্তু, শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি ঋষভকে। ওই হাস্পাতালেইসেশ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে ঋষভ। মৃত্যুর আগের দিনগুলোতে গিটারই ছিল ঋষভের একমাত্র সঙ্গী। অসুস্থ শরীরেও মাঝেমধ্যেই গিটার হাতে গান গেয়ে উঠত সে। এরই মধ্যে মৃত্যুর আগে তার গাওয়া ‘আচ্ছা চলতা হুঁ, দুয়াও মে ইয়াদ রাখনা’ গানটি ভাইরাল হয়।
শুনে নিন সেউ গান-
ঋষভের সেই গান ধীরে ধীরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। ঋষভের অসুস্থতার খবর পেয়ে তার চিকিৎসার জন্য অর্থ সংগ্রহও শুরু হয়। অসম সরকারের তরফেও চিকিৎসার অনুদান পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ে ঋষভ। কিন্তু তাঁর গাও সেই গান আজও ঘুরে বেড়াচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে। হয়ত, এভাবেই মানুষের মনে চিরকাল বেঁচে থাকবে ঋষভ।





