Digha’s Jagannath Temple open on Rath Yatra: চলতি সপ্তাহের রবিবার, ৭ জুলাই রথযাত্রা। দিঘায় নির্মিত হচ্ছে একটি বিশাল জগন্নাথ মন্দির (Digha’s Jagannath Temple), যা পুরীর মন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে। এই মন্দির উদ্বোধন নিয়ে সকলের মনে প্রশ্ন, এবারের রথযাত্রাতেই কি মন্দিরের দ্বার খুলবে (Digha’s Jagannath Temple open on Rath Yatra)? সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন খবর ঘুরছে, যা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। পুরীর মতোই, দিঘার মন্দিরেও জগন্নাথ, বলভদ্র এবং সুভদ্রার পুজো একই নিয়মে পালিত হবে।
৭ জুলাই জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা সারা দেশে ধুমধাম সহকারে পালিত হবে। পশ্চিমবঙ্গেও মহা সমারোহে এই উৎসব উদযাপিত হয়, যেমন মাহেশ ও মহিষাদলের রাজবাড়ির রথ উৎসব। এবার দিঘার রথ উৎসব (Digha’s Jagannath Temple) নিয়েও আলোচনা চলছে। বৃহস্পতিবার দিঘার জাহাজ বাড়িতে পুরোহিতদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। দিঘা শঙ্করপুর উন্নয়ন পর্ষদের অফিসে জেলা প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিতিতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, পুলিশ কর্তা, মহকুমাশাসক এবং বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মহিষাদল থেকে দুই পুরোহিতও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন (Digha’s Jagannath Temple open on Rath Yatra)।

দীর্ঘ বৈঠকের পর প্রশাসনের কর্তারা জাহাজ বাড়ি থেকে সরাসরি দিঘার জগন্নাথ মন্দিরে (Digha’s Jagannath Temple) যান এবং মন্দিরের কাজ খতিয়ে দেখেন। পরে তারা ওল্ড দিঘার জগন্নাথ ঘাটের মন্দির পরিদর্শন করেন। ৭ তারিখ দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনের সম্ভাবনা নেই। রথযাত্রাও হবে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। দিঘায় জগন্নাথ মন্দির নির্মাণ নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা হয়েছিল এবং বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানি ছিল। এই মন্দিরের নির্মাণ দায়িত্বে রয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন বা হিডকো (Digha’s Jagannath Temple open on Rath Yatra)।

মামলাকারীর দাবি ছিল, হিডকো শুধু রাজারহাটের উন্নয়ন কাজ করতে পারে। আদালত এই মামলা খারিজ করে দেয়, ফলে মন্দির (Digha’s Jagannath Temple) নির্মাণে আর কোন জটিলতা নেই। আদালত জানিয়েছে, পরিকাঠামো উন্নয়নের দায়িত্ব রাজ্যের, এবং তারা কোন বিভাগকে দিয়ে কাজ করবে তা নির্ধারণ করবে। দিঘায় জগন্নাথ ধামের পাশাপাশি একটি বিশ্ব সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্রও তৈরি হচ্ছে, যেখানে গবেষণা ও পাঠাগার থাকবে (Digha’s Jagannath Temple open on Rath Yatra)। সেখানে তথ্য বই এবং ডিজিটাল আকারে থাকবে, এছাড়াও একটি সংগ্রহশালা থাকবে।






