Advisory for Indians in Iran: মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক তৎপরতা তুঙ্গে! ২৬ ফেব্রুয়ারির বৈঠকের আগে ইরানে থাকা ভারতীয়দের সতর্কবার্তা!

মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে ফের ঘনাচ্ছে অনিশ্চয়তার মেঘ। কূটনৈতিক টানাপোড়েন, সামরিক প্রস্তুতি এবং কড়া বার্তা—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে উদ্বেগজনক দিকে এগোচ্ছে। আন্তর্জাতিক মহলের নজর এখন একটাই প্রশ্নে আটকে—এই উত্তেজনা কি সত্যিই বড় সংঘর্ষের দিকে যাচ্ছে? সাধারণ মানুষের মধ্যেও বাড়ছে দুশ্চিন্তা, বিশেষ করে যারা সেই অঞ্চলে বসবাস করছেন।

জানা গিয়েছে, ২৬ ফেব্রুয়ারি ফের আলোচনার টেবিলে বসার কথা রয়েছে ইরান এবং আমেরিকা-র। ওমানের তরফে সেই সম্ভাবনার কথা নিশ্চিতও করা হয়েছে। কিন্তু আলোচনার প্রস্তুতির মাঝেই সামরিক তৎপরতা চোখে পড়ছে স্পষ্টভাবে। মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে বলে বিভিন্ন রিপোর্টে উঠে এসেছে। পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে জল্পনা।

এই প্রেক্ষাপটে তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস একটি পরামর্শমূলক বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। ইরানে বসবাসরত ভারতীয়দের প্রয়োজনে দেশ ছাড়ার কথা ভাবতে বলা হয়েছে। এর আগে গত জানুয়ারিতেও একই ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। দূতাবাসের পক্ষ থেকে একাধিক হেল্পলাইন নম্বর (+989128109115; +989128109109; +989128109102; +989932179359) প্রকাশ করা হয়েছে। পাশাপাশি একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করার অনুরোধ জানানো হয়েছে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত যোগাযোগ সম্ভব হয়।

ওপেন সোর্স ট্র্যাকিং সূত্রে দাবি, ১৫০-রও বেশি কার্গো ফ্লাইট অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিয়ে পৌঁছেছে মধ্যপ্রাচ্যে। আমেরিকার দু’টি বিমানবাহী রণতরী, এক ডজন যুদ্ধজাহাজ এবং শতাধিক যুদ্ধবিমান ইরানের কাছাকাছি অবস্থান করছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ। এফ-২২, এফ-৩৫ ও এফ-১৬ যুদ্ধবিমান এবং জ্বালানি ভরার ট্যাঙ্কার বিমানও ওই অঞ্চলে সক্রিয় রয়েছে। বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে সেনা সরিয়ে নেওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে, যা সম্ভাব্য পালটা হামলার আশঙ্কার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

আরও পড়ুনঃ Calcutta High Court : ‘রিপোর্টে নয়, এবার মাঠে নামুন’—বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে রাজ্যের ভূমিকা নিয়ে কড়া বার্তা বিচারপতি অমৃতা সিনহার, প্যারামিলিটারি নামানোর ইঙ্গিত!

এখনও পর্যন্ত সরাসরি সংঘর্ষ শুরু হয়নি। তবে পরিস্থিতি যে অত্যন্ত স্পর্শকাতর, তা মানছে কূটনৈতিক মহলও। ভারতীয় দূতাবাস ইরানে থাকা নাগরিকদের পাসপোর্ট, পরিচয়পত্র ও ভ্রমণ সংক্রান্ত নথি সবসময় সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিয়েছে। জরুরি অবস্থায় দ্রুত যোগাযোগের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন একটাই—আলোচনার মাধ্যমে কি পরিস্থিতি শান্ত হবে, নাকি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাতের অধ্যায় শুরু হতে চলেছে? আপাতত নজর ২৬ ফেব্রুয়ারির বৈঠকের দিকেই।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

RELATED Articles