সংখ্যালঘু অত্যাচারে নজির রাখছে পাকিস্তান! যীশুর নাম নেওয়ায় ইমরানের দেশে চরম হেনস্থার শিকার মহিলা

পাকিস্তান সম্পূর্ণভাবে এখন ‘ইসলামতন্ত্রী দেশ।’ যে দেশের সংখ্যালঘু অত্যাচার নিত্যদিন মাত্রা ছাড়াচ্ছে। হিন্দুদের জোর করে ধর্মান্তরিত করা থেকে শুরু করে খ্রিস্টানদের উপর অকথ্য অত্যাচারের ঘটনা রোজ‌ই জায়গা করে নেয় খবরে।

আরও এক সংখ্যালঘু নির্যাতনের খবর মিলল ইমরানের দেশ থেকে। তাবিথা নাজির গিল নামে একজন খ্রিস্টান মহিলাকে মুসলিম ধর্মের অবমাননা করার অভিযোগে চলল অকথ্য চড়-থাপ্পড়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পাকিস্তানের করাচির সোভরাজ মেটার্নিটি হাসপাতালে এই হামলার শিকার হয়েছেন ওই মহিলা। তিনি ওই হাসপাতালেই দীর্ঘ ৯ বছর ধরে কর্মরত।

তাঁর মুসলমান সহকর্মীরাই তাঁর ওপর মুসলমান ধর্মের নবী মহম্মদ, নবী আব্রাহাম এবং হযরত আদমকে অপমান করার অভিযোগ এনে হামলা করেছেন।

নাসরিন নামে তাঁর‌ই এক সহকর্মীর অভিযোগ, “তিনি (তাবিথা) অন্যদের সমস্যা সমাধানের জন্য‘ যিশু ’বলার আহ্বান জানিয়েছেন। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করি। এতে মুসলিম ধর্মের অপমান করা হয়েছে। আমরা তাকে কবর দেব। নবীদের মর্যাদার জন্য আমরা আমাদের প্রজন্মকে ত্যাগ করতেও রাজি ” l

এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে নাসরিনকে তাবিথাকে মারধর করতে দেখা গেছে।

বৃহস্পতিবার অর্থাৎ গত ২৮ জানুয়ারী এই ঘটনাটি ঘটে। আক্রান্ত ওই খ্রিস্টান মহিলাকে তৃতীয় থেকে প্রথম তলায় টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তাঁর সহকর্মীরাই তার ওপরের নাগাড়ে অত্যাচার করে।

এরপর অত্যাচারের মাত্রা আর‌ও বাড়িয়ে  তাবিথাকে একটি ঘরে দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখে ঝাঁটা দিয়ে মারা হয়। একই সঙ্গে তাঁকে মুসলিম ধর্মের অবমাননার অভিযোগে বারবার ক্ষমা চাইতে বলা হয়। ইসলাম প্রধান পাকিস্তানের পাকিস্তানিদের দাবি ওঠে আল্লাহ’র পক্ষ থেকে তওবা করুন!
বিশ্ব যখন এগোচ্ছে তখন ধর্মান্ধতার আঁধারে ডুবছে জিন্নাহ’র ‘স্বপ্নের পাকিস্তান।’

আরও অন্যান্য খবর