এমনিতেই তিনি জো বাইডেনের কাছে নিজের হার এখনও মেনে নিতে পারেন নি। বারবারই তিনি অভিযোগ এনেছেন যে ভোটের ফলাফলে কোনও গলদ আছে। বাইডেনকে জেতাতে কোনও অন্য পন্থা অবলম্বন করা হয়েছে বলেই তিনি মনে করেন। এরই মধ্যে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এক সাংবাদিক তাঁর কথার মাঝখানে পাল্টা প্রশ্ন করায় মেজাজ হারিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমার সঙ্গে এভাবে কথা বলবেন না, আমি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট”।
ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল, শুক্রবার। এদিন এক সাংবাদিক সম্মেলন আয়োজন করেছিলেন ট্রাম্প। সেখানেও তিনি নিজের মতামত থেকে এক চুলও সরলেন না। তাঁর মতে, ভোটের এই ফলাফল তাঁর পক্ষে মেনে নেওয়া সহজ নয়। তিনি মনে করেন এর মধ্যে কোনও একটা কারচুপি নিশ্চয় আছে। সময় এখন তাঁর সাথ দিচ্ছে না, তাই এখনই কোনও পদক্ষেপ করতে পারছেন না তিনি।
এদিন সংবাদমাধ্যমের উপর ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, “সব কিছুই আমাদের পক্ষে আছে। সত্যিটা আমাদের পক্ষেই আছে। কিন্তু আপনারা প্রবলভাবে কারচুপি করেছেন”। এর সময়ই ঘটে যায় এক ঘটনা। ট্রাম্পের কথার মাঝেই এক সাংবাদিক তাকে কোনও পাল্টা প্রশ্ন করে বসেন। এই সময়ই নিজের মেজাজ হারান ট্রাম্প। বেশ কড়া ভাষায় বলেন, “আমার সঙ্গে এভাবে কথা বলবেন না। আপনি নেহাতই সামান্য একজন। আমিই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। এইভাবে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কখনও কথা বলা যায় না”।
জো বাইডেনের জিত একেবারেই মেনে নিতে নারাজ ট্রাম্প। ফল ঘোষণার আগেও তিনি বলেছিলেন যে বাইডেন নাকি তাঁর ভোট চুরি করেছে। ফল ঘোষণা হওয়ার পরও সেই একই কথা তাঁর মুখে। ভোটের ফলাফলে কারচুপি করা হয়েছে অভিযোগ করে আইনি ব্যবস্থাও নেন তিনি। কিন্তু সেখান থেকেও মিলেছে নেতিবাচক উত্তর। ফলে এখন ইলেক্টোরাল কলেজের দোহাই দিচ্ছেন তিনি। হোয়াইট হাউস ছারার প্রসঙ্গ উঠলে তিনি বলেন, তিনি হোয়াইট হাউজ অবশ্যই ছেড়ে দেবেন কিন্তু ২০শে জানুয়ারির আগে অনেক কিছু হবে বলেও হুমকি দেন ট্রাম্প। তিনি জানান যে অনেক বড় জালিয়াতি হয়েছে। তারা নাকি তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলির মতো কম্পিউটার ব্যবহার করছেন যা নাকি সহজেই হ্যাক করা সম্ভব। এর দ্বারা ভেতরের কার্যকলাপও তাদের সামনে চলে আসবে বলে তাঁর দাবী।





