হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের জন্য ধীরে ধীরে নরক হয়ে উঠছে পাকিস্তান। প্রতিদিনই সংখ্যালঘুদের ওপর পাকিস্তানি চলে অকথ্য অত্যাচার। অধিকাংশ সময়ই তার কোনও খোঁজ প্রকাশ্যে না পাওয়া গেলেও মাঝেমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখা যায় যে পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর কী পরিমাণে অত্যাচার চালাচ্ছে মুসলিম মৌলবাদীরা।এবার সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে দেখা গিয়েছে যে খাইবার পাখতুনখোয়া এলাকায় কীভাবে ধর্মান্ধ মুসলিম মৌলবাদীরা ভেঙে ফেলছে হিন্দু মন্দির! সে এলাকার হিন্দুরা ভয়ে কোন রকম প্রতিবাদ করতে পারেননি এই নৃশংস ঘটনার এবং ইমরান খানের প্রশাসনও এই ন্যক্কারজনক ঘটনার বিরুদ্ধে কোনও রকম পদক্ষেপ এখনো পর্যন্ত নেয়নি।
আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি খাইবার পাখতুনখোয়া এলাকার টেরি নামে একটি গ্রামে একটি হিন্দু মন্দিরের আচমকাই হামলা চালায় একদল মুসলিম মৌলবাদী।মন্দিরের ভিতরে থাকা বিভিন্ন দেবতার মূর্তি রাস্তার উপর ছুঁড়ে ভেঙে ফেলে তারা। মন্দিরটিকেও ভেঙে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় গোটা পাকিস্তানের হিন্দুরা ক্ষুব্ধ হলেও ইমরান খানের প্রশাসন এখনও পর্যন্ত কোনওরকম ব্যবস্থা নেয়নি।
গত মাসেও করাচির লেহেরি এলাকার সালার কম্পাউন্ডে হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি ছেলের বিরুদ্ধে ইসলাম অবমাননার মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়।ইমরান প্রশাসনের পুলিশ গোটা ঘটনাটি জানত কিন্তু এই ঘটনাটিতেও কোনো রকম কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি তাই পাকিস্তানে হিন্দুদের আক্ষেপ এভাবেই তাদেরকে একদিন ধ্বংস করে ফেলবে মুসলিম মৌলবাদীরা।
এমনিতেই বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন জানাচ্ছে যে সিন্ধু প্রদেশ বসবাসকারী হিন্দুদের ওপর মুসলিম মৌলবাদীরা প্রবল অত্যাচার চালায়।বাড়ির মহিলাদের জোর করে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। নাবালিকা ও যুবতীদের অপহরণের পর ধর্মান্তরিত করে জোর করে বিয়ে করে। এখানে প্রতিবাদ করা মানে খুন হয়ে যাওয়া। এই ঘটনা সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত ইমরান খানের প্রশাসন। কিন্তু তারা চুপ করে থাকে। এভাবেই ধীরে ধীরে অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে পাকিস্তানে হিন্দু সম্প্রদায়। তাদের মুক্তির পথ জানা নেই।
https://twitter.com/ShamaJunejo/status/1344245100432535553






