ধ’র্ষ’ণের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এবার কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নিল পাকিস্তান সরকার। এই ধরণের অপরাধ যাতে কঠোর হাতে দমন করা যায়, এই কারণে কড়া আইন আনতে চলেছে ইমরান খান সরকার। এই কারণে পাক পার্লামেন্টে অনুমোদিত হল ‘ক্রিমিন্যাল ল’ বিল ২০২১’।
ধ’র্ষ’কদের শাস্তি হিসেবে বলা হয়েছে, দাগি ধ’র্ষ’কদের রাসায়নিক পদ্ধতিতে ওষুধ দিয়ে নপুংশক করে দেওয়া হবে। এইভাবে কমিয়ে দেওয়া হবে তাদের যৌন ক্ষমতা। গত বুধবার পাক পার্লামেন্টে এই বিল পেশ করা হয়।
তবে এই বিলের বিরোধিতা করেন জামাত-ই-ইসলামির সেনেটর মুস্তাক আহমেদ। এই আইনকে ইসলাম ও শরিয়া বিরোধী বলে দাবী করেন তিনি। তবে তিনি ধ’র্ষ’কদের জনসমক্ষে ফাঁসি দেওয়ার পক্ষপাতি। কিন্তু নপুংশক করে দেওয়ার বিরোধিতা করেছেন তিনি।
২০২০ সালে পাক রাষ্ট্রপতি আরিফ আলভি অ্যান্টি-রেপ অর্ডিন্যান্স ২০২০ বিলে সাক্ষর করেন। এই বিলে ওষুধের মাধ্যমে পুরুষদের নপুংশক করে দেওয়ার কথা উল্লেখ ছিল।
এর আগে এই বিলের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করেছিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তিনি জানান, ধ’র্ষ’কদের জনসমক্ষে ফাঁসি দেওয়ার শাস্তির গ্রহণযোগ্যতা আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নেই। এই কারণেই ওষুধের সাহায্যে নপুংশক করে দেওয়ার শাস্তি দেওয়ার আইন আনার চেষ্টা।
এর থেকে এও প্রশ্ন ওঠে যে, ভারতেও কী এই ধরণের আইন পাশ করানোর প্রয়োজনীয়তা নেই?





