দীপাবলির রাতে গড়ল ইতিহাস! এবার ব্রিটেনের মাটি শাসন করবেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত, নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হলেন ঋষি সুনক

দীপাবলির রাতে গড়ল ইতিহাস। এবার ব্রিটেনের মসনদে বসলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত। নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হলেন ঋষি সুনক। প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে বরিস জনসন বিদায় নেওয়ার পর থেকেই শূন্য হয়ে যায় ওই পদটি। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতাতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হলেন ঋষি সুনক। তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিযোগিতা করতে পারলেন পেরি মরডান্টও।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এদিন ‘হাউস অফ কমন্স’-এ কনজারভেটিভ পার্টির ৩৫৭ জন সাংসদের অর্ধেকেরও বেশি ঋষি সুনাকের পক্ষে ভোটদান করেন। লড়াইয়ে টিকে থাকতে প্রয়োজনীয় ন্যূনতম ১০০ জন এমপির ভোট টানতে ব্যর্থ হয়েছেন পেনি মরড্যান্ট। বলে রাখা ভাল, পেনি ১০০ জন এমপি-র সমর্থন পেলে লড়াই অন্য মাত্রা পেত। কারণ, তখন দেশজুড়ে থাকা কনজারভেটিভ পার্টির প্রায় দু’লক্ষ ভোটার অনলাইন ভোটিংয়ের মধ্যমে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী বেছে নিতেন। আর তেমন হলে পেনি মরড্যান্ট কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতেন।

https://twitter.com/PennyMordaunt/status/1584529702466686977?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1584529702466686977%7Ctwgr%5Ef97d7febb3e2e7772e978d208c2208df4c674787%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.sangbadpratidin.in%2Fworld%2Frishi-sunak-becomes-britains-new-prime-minister%2F

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী পদে লড়তে হলে অন্তত ১০০ জন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন ছিল। বহুজাতিক তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থা ‘ইনফোসিস’-র প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণমূর্তির জামাই ঋষির পক্ষে সমর্থন ছিল শতাধিক সাংসদের।

কয়েক মাস আগেই দলীয় বিদ্রোহে প্রধানমন্ত্রী পদ ছাড়তে বাধ্য হন বরিস জনসন। ক্রিস পিনচার ইস্যুতে দলের অন্দরেই বেনজির বিক্ষোভের মুখে পড়েন বরিস। পরিস্থিতি জটিল করে প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকায় প্রশ্ন তুলে ইস্তফা দেন ব্রিটেনের স্বাস্থ্য সচিব সাজিদ জাভিদ ও অর্থদপ্তরের প্রধান ঋষি সুনাক। তারপরই শুরু হয় প্রধানমন্ত্রী পদের দৌড়। দিনকয়েকের জন্য মসনদে বসলেও শেষমেশ গদি ইস্তফা দিতে বাধ্য হন লিজ ট্রাস।

আরও অন্যান্য খবর