গত সপ্তাহেই পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলে এক ইসলাম দলের হিন্দু মন্দির ধ্বংস করা নিয়ে উত্তেজনা ছড়ায়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের এক অমানবিক চিত্র ধরা পড়ল পাকিস্তানের। এক পাকিস্তানী পুলিশকর্মীর ঘর থেকেই মিলল দুই হিন্দু তরুণীর ঝুলন্ত দেহ। অভিযোগ উঠেছে, খুন করার আগে শারীরিক নির্যাতনও করা হয়েছে তাদের উপর।
মৃত দুই তরুণীর নাম ববিতা মেঘাওয়ার ও দঙ্গার মেঘাওয়ার। জানা গিয়েছে, দঙ্গারের বৌদি ছিলেন ববিতা। পাকিস্তানের সিন্ধ অঞ্চলের মিঠি এলাকার পুলিশ অফিসার গুল মহম্মদ সান্ডের ঘরে এই দুই হিন্দু তরুণীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। পাকিস্তানী কর্মী ও আইনজীবী রাহাত অস্টিন বলেন, এই দুই তরুণীকে খুন করা হয়েছে। কিন্তু খুনের আগে তাদের উপর শারীরিক অত্যাচার করা হয়।
https://twitter.com/TimesNow/status/1344878616144826368
পাকিস্তানের মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, সেই দেশের বছরে প্রায় ১০০০-এরও বেশি তরুণী ও কিশোরীদের অপহরণ করা হয় ও পরে তাদের জোর করে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করানো হয় ও তারপর বিয়ে করা হয়। এই তরুণী ও কিশোরীদের মধ্যে বেশীরভাগই হিন্দু ও তাদের বয়স ১২-২৫-এর মধ্যে।
জানা গিয়েছে, তাদেরই পরিবারের কারোর মদতে এই তরুণীদের অপহরণ করে মুসলিম দুষ্কৃতীরা। তাছারাও, বাড়িওয়ালা যাদের কাছে তরুণীর মা-বাবার ঋণ রয়েছে, সেরকম তরুণীদেরও অপহরণ করায় ওই বাড়িওয়ালারা। এরপর তাদের ধর্মান্তরিত হতে বাধ্য করা হয় ও তারপর জোর করে তাদের বিয়ে করা হয়।
গত বছরের আগস্ট মাসেই এই সিন্ধ অঞ্চলের এক হিন্দু পরিবারের তরুণী কবিতাকে অপহরণ করে একদল দুষ্কৃতী। মুহম্মদ আদিলের নেতৃত্বে এই কাজ করে তারা। এরপর তাকে জোর করে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করানো হয় ও পড়ে জোর করে তাকে বিয়ে করে আদিল।





