ফের বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। তাণ্ডব শুরু হয়ে গিয়েছে ওমিক্রনের নতুন প্রজাতির। এরই সঙ্গে বাড়ছে এক্সবিবি প্রজাতির দাপটও। গোটা বিশ্বেই নতুন করে সংক্রমণের ঢেউ আছড়ে পড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। এর থেকে বাদ নেই ভারতও। দেশে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ১০০০ ছাড়িয়েছে। এর জেরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে টিকাকরণ নিয়ে নতুন গাইডলাইন প্রকাশ করা হল।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু-এর মতে, যাদের করোনার দু’টি করে টিকা নেওয়া হয়ে গিয়েছে, তাদের বুস্টার ডোজ নিতেই হবে। আর যাদের বুস্টার ডোজও নেওয়া হয়ে গিয়েছে, তাদের নতুন করে বুস্টার ডোজ ফের নিতে হবে। আগের টিকা নেওয়ার ৬ মাস থেকে এক বছরের মধ্যে নিতে হবে নতুন বুস্টার ডোজ।
প্রবীণ ব্যক্তি বা যাদের নানান অসুখ, কোমর্বিডিটি রয়েছে, তাদের অবশ্যই বুস্টার ডোজ নিতে হবে। আগের টিকা নেওয়ার ৬ মাস থেকে এক বছরের মধ্যে নিতে হবে বুস্টার ডোজ। তবে ঠিক কতদিনের মধ্যে বুস্টার ডোজ নেওয়া যাবে তা চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে নিয়ে নিতে হবে।
হু জানিয়েছে, আমেরিকা, কানাডার মতো দেশে বুস্টার ডোজ চালু হয়ে গিয়েছে। করোনা আবারও সংক্রমণ ছড়াতে পারে এই আশঙ্কায় কিছু দেশ আগে থেকেই টিকাকরণে জোর দিচ্ছে। চীনের ভুল কোভিড নীতির জন্যই করোনা এতটা বেড়েছে সে দেশে। অন্তত চার রকম ভাইরাসের প্রজাতি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে চীনে। বিশ্বের অন্যান্য দেশেও সেইসব প্রজাতি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সেই কারণে করোনার টিকা ছাড়া গতি নেই। শরীরের ইমিউনিটি ফের বাড়িয়ে তুলতে ও অ্যান্টিবডির পরিমাণ বাড়াতে বুস্টার ডোজ নিতেই হবে বলে পরামর্শ দিচ্ছেন হু-র ভাইরাস বিশেষজ্ঞরা।
এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত পাঁচ সপ্তাহে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে। হু এও জানিয়েছে যে করোনা অতিমারি এখনই শেষ হচ্ছে না, তা শেষ হতে এখনও অনেক দেরি। হু জানাচ্ছে, দেশের ৭০ শতাংশ বাসিন্দাকে টিকা দিলেই কাজ শেষ হবে না। যাদের ঝুঁকি সবথেকে বেশি, তাদের আগে টিকা বা বুস্টার ডোজ দিতে হবে।






