রক্ষকই যখন ভক্ষক! কলকাতার বুকে অটোর মধ্যে মূক ও বধির নাবালিকাকে যৌ’ন নিগ্রহ, গ্রেফতার পুলিশ কনস্টেবল

রাজ্যে ঘটে চলেছে একের পর এক ধ’র্ষ’ণের ঘটনা। প্রতিদিন কোনও না কনপ ধ’র্ষ’ণের ঘটনার কথা উঠে আসে খবরের শিরোনামে। বাংলার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। প্রশ্ন উঠেছে মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর বাংলায় নারী সুরক্ষা নিয়ে। রাতবিরেতে মহিলারা কোনও সমস্যায় পড়লে সাহায্যের জন্য ছোটেন পুলিশের কাছে। কিন্তু সেই রক্ষকই যদি ভক্ষক হয়ে ওঠে, তখন?

হ্যাঁ, এমন কথা উঠছে কারণ এমনই কোনও এক ঘটনা ঘটেছে তাও আবার এই খাস কলকাতারই বুকে। এক মূক ও বধির নাবালিকাকে যৌ’ন নিগ্রহ করার অভিযোগ উঠল এক পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে। অটোর মধ্যে ওই নাবালিকাকে যৌ’ন নিগ্রহ করেন দেবু মণ্ডল নামের এক কনস্টেবল। সেই পুলিশ কনস্টেবলকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার। সেদিন দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ এক নাবালিকা তাঁর মায়ের সঙ্গে অটোয় করে বাড়ি ফিরছিল। তারা নিমতা থানা এলাকার বাসিন্দা। খান্না মোড় থেকে উল্টোডাঙার দিকের অটোতে উঠেছিলেন তারা। সেই সময় ওই অটোতে ছিলেন রিজার্ভ ফোর্সের কনস্টেবল দেবু মণ্ডল।

অভিযোগ, সেই সময় নাবালিকার গোপনাঙ্গে স্পর্শ করে ওই কনস্টেবল। এই বিষয়টি নাবালিকা তার মাকে জানানোর পরই নাবালিকার মা ও অটোচালক অটোটি নিয়ে সোজা চলে যান উল্টোডাঙা থানায়। গোটা বিষয়টি সেখানে জানান তারা। এরপর তাদের মানিকতলা থানায় পাঠানো হয় অভিযোগ দায়ের করার জন্য। অভিযুক্ত ওই দেবু মণ্ডলকেও নিয়ে যাওয়া হয় মানিকতলা থানায়। নাবালিকার মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয় তাকে।

আজ, শনিবার ওই কনস্টেবলকে শিয়ালদহ আদালতে পেশ করা হয়। বিচারক দু’দিনের জেল হেফাজত দিয়েছেন ওই অভিযুক্তকে। ওই কনস্টেবলের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৫৪ ধারা ও পকসো আইনের ১০ নম্বর ধারার আওতায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামী সোমবার ফের ওই ব্যক্তিকে আদালতে পেশ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।

RELATED Articles