মমতা-বৈশাখীর বৈঠকের পরেই রত্না চট্টোপাধ্যায়কে সরানো হল বেহালা পূর্বের দায়িত্ব থেকে। মমতা, রত্নাকে তো সরালেন কিন্ত শোভন কি দলে ফিরে আসবেন? এটাই এখন বড় প্রশ্ন। কারণ শোভন চট্টোপাধ্যায়ের প্রতি যে দূর্বলতা মমতা দেখাচ্ছেন তাকে সম্বল করেই অনেকেই রাজনীতির ময়দানে গুরুত্ব পাচ্ছেন। কিন্তু হঠাৎ কেন এই শোভনপ্রীতি?
এদিকে প্রশ্ন উঠেছে শোভন তো এখন বিজেপিতে। তাহলে বিজেপি নেতাকে এত প্রশয় কেন? শোভন চট্টোপাধ্যায় বাংলার রাজনীতিতে মমতার আলোয় আলোকিত নেতা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনের পাশে না থাকলে সাধারন মানুষের কাছে শোভনের কোনো গ্রহণযোগ্যতা থাকবে কি?
প্রশ্ন উঠেছিল, শোভন চট্টোপাধ্যায়কে খুশি করার জন্যই কি রত্নাকে দায়িত্ব থেকে সরানো হল?
শনিবার সকালে জানা গেল, বেহালা পূর্বের দায়িত্ব দেওয়া হল ১০৭ ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষকে। যা আগে রত্নাদেবীর দায়িত্বে ছিল। যদিও রত্নাদেবীর দাবি, তাঁর থেকে দায়িত্ব কেড়ে নেওয়া হয়নি, তিনি নিজেই ছেড়ে দিয়েছেন। তবে অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে এ দিন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য, ‘‘বাংলার গর্ব মমতা, এই কথাটা প্রত্যেক তৃণমূল কর্মীর হৃদস্পন্দনে রয়েছে। সুতরাং এই কর্মসূচির ঝান্ডা কার হাতে ছিল বা এখন কার হাতে থাকবে, সেটা বড় কথা নয়। স্লোগানটাই বড় কথা।’’
যে বৈশাখীদেবী আগে বিশিষ্ট মমতাবিদ্বেষী মন্তব্যের জন্য পরিচিত ছিলেন, তিনিই কেন বৈঠকের পরে এমন ইতিবাচক কথা বলছেন মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে, এই নিয়েও আলোচনায় সরগরম রাজনীতিবিদদের একাংশ।
বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় যাই বলুক না কেন শোভন কি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে ফিরে আসতে পারবেন? রাজনৈতিক ভাষ্যকারদের এক অংশের মনে হয় শোভন বিজেপি ছেড়ে বেরিয়ে আসবেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই তাঁকে খুশি করার চেষ্টা করুক আখেরে শোভন ফিরবেন না তৃণমূলে।
নাকি সত্যিই ফিরবেন?
উত্তর দেবে সময়ই।






