চারিদিকে চাকরি নিয়ে দুর্নীতি চলছে। এমন সময় ফের কল্যাণী এইমসে (Kalyani AIIMS) চাকরির নামে প্রতারণার অভিযোগ। ইতিমধ্যেই দুর্নীতি চক্রের পর্দা ফাঁস হয়েছে। হাসপাতালের ভিতর থেকেই তিন প্রতারককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে হাসপাতালে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলার অভিযোগ উঠেছে। এদের সঙ্গে আগে ধৃত চক্রের কোন যোগাযোগ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। শনিবার বিকেলে এইমস হাসপাতালের ভিতর থেকে সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, দ্বীপবল্লভ কর, মৌসুমী দেবনাথ নামে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দ্বীপবল্লভ ও মৌসুমীর বাড়ি হরিণঘাটায় এবং সুব্রত থাকে শিমুরালিতে।
পুলিশের দাবী, কল্যাণী এইমস (Kalyani AIIMS) হাসপাতালে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে বেকার যুবকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিচ্ছে অভিযুক্তরা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার বিকেলে এদের গ্রেফতার করে গয়েশপুর থানার পুলিশ। এদেরকে রবিবার আদালতে পেশ করা হলে তিনজনকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তবে কল্যানী এইমসে (Kalyani AIIMS) চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ নতুন নয়। এর আগেও এই অভিযোগে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বেকার যুবকদের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে জাল নিয়োগপত্র দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ জমা পড়তে ধরপাকড় শুরু হয়। পরে এই প্রতারণা চক্র নতুন করে শুরু হয়েছে বলে দাবি পুলিশের।
উল্লেখ্য, গতবছর এপ্রিল মাসে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল হুগলি জেলায়। অভিযোগ জমা পড়েছিল হরিপাল থানায়। তদন্ত নেমে পুলিশ চঞ্চল্যকর তথ্য পেতে থাকে। তারপরে গ্রেফতার করা হয় বাপ্পা রাউত নামে এক ব্যক্তিকে। তাকে জেরা করার পর দীপক দাস নামে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল এদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরো দুই প্রতারকের খোঁজ পাওয়া যায়। এম ডি বাসার ও সুপ্রিয় বিশ্বাস নামে দুজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ।
পুলিশি সূত্রে খবর, গোটা রাজ্য জুড়ে প্রতারণার জাল বিছিয়েছে তারা। তোদের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে জাল নিয়োগপত্র, জাল নোট, দুটি মোবাইলসহ চার চাকার গাড়ি। অভিযুক্তরা নিজেদেরকে কল্যাণী এইমসের (Kalyani AIIMS) কর্মচারী বলে এই প্রতারণা চালাত।





