তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নীচে থাকলেও লাদাখে ক্রমশই উত্তপ্ত হচ্ছে পরিস্থিতি। মাসখানেক আগেই বৈঠকে বসে ভারত ও চীন, কিন্তু তা সত্ত্বেও এই পরিস্থিতির কোনও উন্নতি হয়নি। দিনের পর দিন আকসাই চীনে কোনও একটা নির্মাণ করেই চলেছে লালফৌজ। সম্প্রতি জানা গিয়েছে, আকসাই চীনে একটি হেলিপোর্ট তৈরি করেছে চৈনিক সেনা। নির্মাণ হচ্ছে মাটির নীচে শক্তিশালী সামরিক ঘাঁটিও।
তবে আকসাই চীন নিয়ে ভারতের অবস্থান স্পষ্ট। এই ভূখণ্ড যে ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ, তা আগেই বলা হয়েছে। নতুন নির্মিত চীনা হেলিপোর্টটি নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছে। ভারতের দৌলতবাগ বিমানঘাঁটির ঠিক বিপরীতে।
ওই অঞ্চলেই রয়েছে ডার্বুক-শেয়ক-ডিবিও রোড। বরাবরই এই ২৫৫ কিমি চওড়া রাস্তা ও বিমানঘাঁটি চীনের আশঙ্কার কারণ। এই কারণেই এই বিমানঘাঁটির ঠিক বিপরীতেই একটি হেলিপোর্ট বানিয়েছে তাঁরা। গত বছরের নভেম্বর থেকেই শুরু এই হেলিপোর্ট নির্মাণ প্রস্তুতি কিন্তু কাজ শুরু হয় চলতি বছরের এপ্রিল থেকে। জানা গিয়েছে প্রায় ১০০ মিটার লম্বা হবে এই হেলিপোর্ট। এর মধ্যে ৭০০ মিটারের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ।
শুধু তাই-ই নয়, উপগ্রজ থেকে তোলা ছবিতে দেখা গিয়েছে যে এই অঞ্চলেই মাটির তলাতেও সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করে চীন। এর কাহ গত আগস্ট থেকে শুরু হয়েছে। অর্থাৎ, চীন যে বেশ বড়সড় যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তা বোঝাই যাচ্ছে।
ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর কিছুদিন আগে বলেন, “বিগত ৩০ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে বর্তমানে চীনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের সবচেয়ে খারাপ পর্ব চলছে। লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করেছে চীন। তারা যুদ্ধের জন্য তৈরি হয়েই এসেছে”।
উল্লেখ্য, পূর্ব লাদাখের ফরোয়ার্ড পোস্টগুলির কাছেই গোপন অস্ত্রভাণ্ডার তৈরি করে রেখেছে ভারতীয় সেনা। চীনের সঙ্গে যে কোনও সময় বড় সংঘাত হতে পারে। তাই সবদিক থেকে নিজেদের প্রস্তুত রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।





