সামনেই কালীপুজো, তার আগেই আসে ধনতেরাস। আর ধনতেরাস মানেই ঘরে ঘরে সোনার আগমন। ধনতেরাসে সোনা কেনার চল অবাঙালিদের মধ্যেই বেশী দেখা যায়। কিন্তু ইদানীংকালে, বাঙালিদের মধ্যেও ধনতেরাস পালনের রীতি দেখা যাচ্ছে। তবে শুধু সোনা নয়, ধনতেরাসের দিন রুপো, পিতল, তামার জিনিসও কেনা নাকি শুভ বলে মনে করা হয়। এই সময়ই খুশির খবর এল সাধারণ মানুষের জন্য। ধনতেরাসের আগেই সোনার দামের ভারী পতন লক্ষ্য করা গেল। তবে শুধু সোনাই নয়, একই সঙ্গে দাম পড়তে দেখা গিয়েছে রূপোরও।
গতকালই, ফাইজারের তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়েছে যে করোনা ভ্যাকসিন তৈরির কাজ প্রায় শেষ। তৃতীয় ট্রায়ালে মিলেছে ৯০ শতাংশ সফলতা। ফাইজারের এই ঘোষণার পরই চড়চড় করে কমতে শুরু করেছে সোনা ও রূপোর দাম। এখন প্রতি ১০গ্রাম সোনার দাম ১০০০ টাকা কমে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে রূপোর দামও প্রতি কেজিতে আগের থেকে ২০০০ টাকা কমেছে।
এছাড়াও জানা গিয়েছে, MCX-এর প্রতি ১০ গ্রাম ভবিষ্যৎ সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ৫১,১৬৫ টাকা যা আগের দামের চেয়ে ২ শতাংশ কম। অন্যদিকে প্রতি কেজি রূপোর দাম দাঁড়িয়েছে ৬৩,১৩০ টাকা যা আগের চেয়ে প্রায় ৩.৫ শতাংশ কম।
সোমবার শুরুর দিকে বেশ ঊর্ধ্বমুখীই ছিল সোনার দামের গ্রাফ। মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেনের জয়ের সঙ্গে সঙ্গে শেয়ার বাজার উঠতে শুরু করে। এর ফলে সোনার দামও বাড়তে থাকে। কিন্তু বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খবর আসে ফাইজারের তরফ থেকে। মার্কিন মুলুক ফার্মা সংস্থা ফাইজার জানায় যে করোনা ভ্যাকসিন তৈরির কাজ শেষের দিকে। এই সঙ্গে জার্মান বায়োএনটেক টিকাকরণের ফলে সফলতা মিলেছে সংক্রমণ হার কমানোয়। এর ফলে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে সাধারণ মানুষ। এদিন ফাইজার সংস্থার চেয়ারম্যান ও সিইও অ্যালবার্ট বাউরলা জানান, “অনেকটা পথ এগিয়ে গিয়েছি আমরা। এই অতিমারীর সঙ্গে লড়াই করতে আমরা আর কয়েক ধাপ দূরে বলা চলে। আমাদের ভ্যাকসিন তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। ইতিমধ্যেই আমরা প্রথম ধাপ শেষ করেছি”। এদিন প্রথম ধাপকে সফল বলেও জানিয়েছেন তিনি। এরপর এই খবরের সঙ্গে সঙ্গে সোনার দাম হ্রাসের খবরেও হাসি ফুটেছে মানুষের মুখে।





