কৃষক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ভারতের বিরুদ্ধে যে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে, তা ইতিমধ্যেই ফাঁস হয়ে গিয়েছে। এবার ভারতকে নিয়ে ঠাট্টা করার নিদর্শন চূড়ান্তে পৌঁছল যখন কানাডার সাংসদ জগমিৎ সিং টুইটে লিখলেন যে ভারতে কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করার জন্য প্রাক্তন নীল ছবি তারকা মিয়াঁ খালিফা ও ‘প্লেবয়’ ম্যাগাজিনের মডেল আমান্ডা সার্নিকে তিনি মিষ্টি খাওয়াবেন।
কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করে টুইট করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত একটি নথি ফাঁস করে ফেলেন সমাজকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ। এরপরই ভারতের বিরুদ্ধে হওয়া ষড়যন্ত্রের ঘটনা সামনে আসে। এও বোঝা যায় যা, এসবের পিছনে খালিস্তানি প্ররোচনা ছিল। এই ষড়যন্ত্রের মূল পাণ্ডা কানাডার সাংসদ ও খালিস্তানি জগমিৎ সিং।
এই টুইট কথোপকথনের শুরু লেখিকা রূপী কৌরকে দিয়ে যিনি নিজেকে ‘ডিস্পোরা শিখ’ বলে দাবী করেন। আমান্ডা সার্নির একটি পোস্টে তিনি মন্তব্য করেন যে তাদের নাকি বলা হচ্ছে যে তাঁরা কিছু তারকাদের টাকা দিচ্ছেন ভারতের কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করার জন্য। এরপর মিয়াঁ খালিফা লেখেন যে তিনি নাকি ভারতীয় রেস্তোরাঁ থেকে খাবার অর্ডার করে এই টাকা আবার ফেরত দিয়ে দেবেন। এরপরই দৃশ্যে আসেন জগমিৎ সিং। তিনি এর উত্তরে বলেন যে তিনি মিষ্টি খাওয়াবেন। এই ধরণের পোস্ট থেকে তাদের নিচু মানসিকতা ও ভারতের বিরুদ্ধে তাদের ষড়যন্ত্রেরই প্রমাণ দেয়।



ভারতের বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্র সামনে আসে যখন একের পর এক বিদেশী তারকা কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করে টুইট করতে থাকেন। এরপর গ্রেটা থুনবার্গের টুইট করা নথি থেকেই জানা যায় যে এই সবকিছুর পিছনে খালিস্তানি সংস্থার হাত রয়েছে। ভারতের ভাবমূর্তি বিশ্বের দরবারে খারাপ করার উদ্দেশ্যেই এমনটা করা হয়েছে।






