২০১৩ সালের মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও হরপা বানের স্মৃতি ফিরেছে উত্তরাখণ্ডে। ৮ বছর আগের ঘটনায় প্রাণ হারান প্রায় ছ’হাজার মানুষ।
গতকাল হিমবাহ ভেঙে ব্যাপক তুষারধস নামে উত্তরাখণ্ডের চমোলি জেলায়। এর জেরে জোশীমঠের কাছে ধৌলিগঙ্গার জলস্তর তীব্র আকার বেড়ে যায়। তীব্র জলোচ্ছ্বাসে ভাঙতে থাকে বাঁধ। ভেসে যায় একাধিক গ্রাম। চামোলি জেলার তপোবন এলাকার রানি গ্রামে ঋষিগঙ্গা বিদ্যুৎ প্রকল্পের উপর হিমবাহ ভেঙে পড়ার ফলে জলে বসে গিয়েছে আশেপাশের বাড়ি। ইতিমধ্যেই ১৪ জনের মৃতদেহ মিলেছে অলকানন্দা থেকে। লাগাতার কাজ করে যাচ্ছে আইটিবিপি , এনডিআরএফ, এসডিআরএফ-এর দল। পরিস্থিতি থেকে সম্পূর্ণভাবে মুক্তি পেতে এক সপ্তাহ সময় লাগবে বলে জানিয়েছে আইটিবিপি।
দেবভূমিতে প্রলয়কাণ্ডে মৃত, আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী ন্যাশনাল রিলিফ ফান্ড থেকে বিপর্যয়ে মৃতদের পরিবারের জন্য ২ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। গুরুতর জখমদেরও ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা টুইট করে জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে।
PM @narendramodi has approved an ex-gratia of Rs. 2 lakh each from PMNRF for the next of kin of those who have lost their lives due to the tragic avalanche caused by a Glacier breach in Chamoli, Uttrakhand. Rs. 50,000 would be given to those seriously injured.
— PMO India (@PMOIndia) February 7, 2021
এর মধ্যেই মৃতের পরিবারের উদ্দেশ্যে সরকারি ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করেছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াতও। এই ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। ঘটনাস্থলে নিখোঁজদের উদ্ধারের কাজ চালাচ্ছে আইটিবিপি ও সেনা। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে নৌবাহিনীর ডুবুরিও। উদ্ধারকার্যে হাত লাগিয়েছে বায়ুসেনাও। এনডিআরএফের দলকে জোশীমঠে পৌঁছে দিচ্ছে আইএফ এমআই-১৭। তপোবন ঋষিগঙ্গা বিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত ১৭৬ জনও নিখোঁজ বলে জানিয়েছে উত্তরাখণ্ডের সরকার।





