গোটা দেশ ঘরে বন্দি। ২১ দিনের লকডাউনে কার্যত অসহায় হয়ে পড়ছেন মানুষ। গরীব দিন আনি দিন খাই মানুষেরা খুবই অসুবিধা ভোগ করছেন এই লকডাউনের জেরে। এই অবস্থায় দিল্লির ডেপুটি চিফ মিনিস্টার মণীশ শিশোদিয়া শনিবার জানালেন, দিল্লি সরকার আগামী মাসের জন্য রেশন দেওয়া শুরু করেছেন। এই রেশনের পরিমাণ বাড়িয়ে মাসিক সাড়ে সাত কেজি করা হয়েছে। এছাড়াও শিশোদিয়া জানিয়েছেন, দিল্লি সরকারের অধীনে যে সমস্ত বিদ্যালয় আছে সেগুলো দৈনিক শ্রমিক ও গরীব মানুষের জন্য শেল্টার হিসাবে ব্যবহার করা হবে। তাঁদের খাবার ও জলও সরবরাহ করা হবে সরকার থেকে।
শনিবার এক টুইটে মণীশ শিশোদিয়া জানান, সরকার থেকে আগামী মাসের জন্য রেশন দেওয়া শুরু হয়েছে। এই রেশনের পরিমাণ মানুষ পিছু সাড়ে সাত কেজি, যা সাধারণ চাহিদার তুলনায় দেড় গুণ বেশি।
दिल्ली सरकार ने अगले महीने का राशन भी अभी से बाँटना शुरू कर दिया है. प्रति व्यक्ति 7.5 किलो यानि सामान्य से डेढ़ गुना.
— Manish Sisodia (@msisodia) March 28, 2020
গত সপ্তাহেই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়েছিলেন, যাঁরা ন্যায্যমূল্যের দোকান থেকে রেশন পাচ্ছেন তারা আগামী মাস থেকে পঞ্চাশ শতাংশ অতিরিক্ত রেশন পাবেন।
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলির সাহায্যে দিল্লি পুলিশ শুক্রবারই রাজধানীর বস্তি এলাকায় পৌঁছায়। দেশজুড়ে আগামী ১৪ই এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন থাকবে আগেই ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় সরকার। এমতাবস্থায় বস্তি এলাকার মানুষজন খুবই অসুবিধায় পড়েছেন। তাঁদের জন্য ও মূলত বয়স্কদের জন্য পুলিশ খাবার, দুধের প্যাকেট ও রেশন দান করেন। কোটলা মুবারকপুরের একটি বস্তি এলাকায় এই জিনিসপত্র দান করা হয়।
দিল্লি পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চ থেকেও পুরো রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ৬০০০ খাবারের প্যাকেট বিলি করা হয়।






